Main Menu

কুমিল্লা ও নোয়াখালী জেলা লকডাউন

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: রাজধানীর পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস। প্রতিদিন নতুন রোগী শনাক্ত হচ্ছে। ক্রামাগত আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। প্রাণঘাতী এই ভাইরাস প্রতিরোধে সরকারের পক্ষ থেকে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। আক্রান্ত রোগী শনাক্তকরণ এবং ভাইরাসের বিস্তার রোধে বিভিন্ন জেলা ও জেলার অংশবিশেষ লকডাউন করছে সরকার।

শুক্রবারও (১০ এপ্রিল) কুমিল্লা ও নোয়াখালী জেলাকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। এর আগে চাঁদপুর, জামালপুর, গাইবান্ধা ও নারায়ণগঞ্জ জেলা লকডাউন করা হয়।

কুমিল্লা

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে কুমিল্লা জেলাকে লকডাউন করেছে প্রশাসন। সেইসঙ্গে জেলায় প্রবেশ ও বের হওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটায় জেলা প্রশাসক (ডিসি) আবুল ফজল মীর এ কথা জানিয়েছেন।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি হিসেবে ডিসি জানান, করোনার সংক্রমণ রোধে জেলা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কুমিল্লাকে লকডাউন করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জাতীয় ও আঞ্চলিক সড়ক-মহাসড়ক, নৌপথে অন্য কোনও জেলা থেকে কেউ কুমিল্লায় প্রবেশ এবং বের হতে পারবে না। সব ধরনের গণপরিবহন ও জনসমাগম বন্ধ থাকবে। তবে জরুরি সেবা ও সরবরাহ লকডাউনের আওতার বাইরে থাকবে।

প্রসঙ্গত, এ পর্যন্ত কুমিল্লার দুটি উপজেলায় তিন জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। লকডাউন করা হয়েছে একাধিক বাড়ি। এছাড়াও ঢাকায় থাকা কুমিল্লার দুই জন মারা গেছেন।

নোয়াখালী

শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে নোয়াখালী জেলাকে লকডাউন করার ঘোষণা দিয়েছে জেলা প্রশাসক এবং করোনা নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি তন্ময় দাস। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকালে জারি করা গণবিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

এতে বলা হয়, নোয়াখালী জেলাকে ১১ এপ্রিল ২০২০ ভোর ৬টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত লকডাউন করা হচ্ছে। করোনা সংক্রমণ ঝুঁকি মোকাবিলায় জেলাকে লকডাউন করা হচ্ছে। সড়ক ও নৌপথে অন্য কোনও জেলা থেকে কেউ এ জেলায় প্রবেশ বা বের হতে পারবেন না। আন্তঃউপজেলা যাতায়াতের ক্ষেত্রে একই ধরনের নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।

লকডাউন চলাকালীন জরুরি পরিষেবা—যেমন: বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট সেবা কাজে নিয়োজিত যানবাহন কর্মী, চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিতরা, নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী, খাদ্যদ্রব্য, কৃষিপণ্য, সার, কীটনাশক, জ্বালানি পরিবহন, কৃষিজ পণ্য উৎপাদন ও খাদ্যদ্রব্য উৎপাদনসহ জীবনধারণের মৌলিক উৎপাদন ও পরিবহন কাজে নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মীরা এর আওতামুক্ত থাকবে।

এর আগে শুক্রবার গাইবান্ধা জেলা, বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) চাঁদপুর, বুধবার (৮ এপ্রিল) জামালপুর এবং মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) নারায়ণগঞ্জ জেলাকে লকডাউন করা হয়।

Share





Related News

Comments are Closed