Main Menu

সিকৃবিতে দুদিনব্যাপী বার্ষিক গবেষণা কর্মশালা শুরু

সিকৃবি সংবাদদাতা: ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে কৃষির ভূমিকা অপরিসীম। বর্তমান সরকারের রূপকল্প ২০২১ এবং ২০৪১ অর্জনের জন্য কৃষির বিকল্প নেই।

মঙ্গলবার (১১ ফেব্রয়ারি) সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) বার্ষিক গবেষণা পর্যালোচনা কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশিনের সদস্য এবং খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, ৪র্থ শিল্প বিপ্লব কৃষিকে ভিত্তি করেই হবে যাতে নানাবিধ চ্যালেঞ্জ থাকলেও কৃষিবিদরা এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে কৃষিকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্স সিস্টেস (সাউরেস) এর পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিকৃবি ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ মতিয়ার রহমান হাওলাদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পুলিশের সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মো: কামরুল আহসান।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাউরেস এর সহযোগী পরিচালক প্রফেসর ড. নির্মল চন্দ্র রায়।

প্রধান পৃষ্ঠপোষকের বক্তব্যে ড. মতিয়ার বলেন, আমাদের নানাবিধ সীমাবদ্ধতার মাঝেও দেশের কৃষি উন্নয়নে সিকৃবি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় ডিআইজি কামরুল আহসান বলেন, জিডিপিতে কৃষির অবদান অনস্বীকার্য। উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে হলে কৃষিকে প্রাধিকার দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, সিলেট অঞ্চলে ১লক্ষ ৩৬ হাজার হেক্টর জমি অনাবাদি রয়েছে। যা চাষের আওতায় আনা গেলে কমপক্ষে ২০ লক্ষ লোকের অন্নের সংস্থান হবে। এসময় তিনি সিলেট অঞ্চলে এলাচ, লবঙ্গ ও গোলমরিচ চাষের সম্ভাবনার কথা বলেন।

কর্মশালায় বক্তারা বলেন, সাউরেস এর মাধ্যমে গত এক দশকে ২৭৩টি গবেষণা কার্য সম্পাদিত হয়েছে। বর্তমানে ৮১টি গবেষণা কার্য চলমান রয়েছে। তারা বলেন, গবেষণার সুযোগ আরও বৃদ্ধি করতে হবে।

দুদিনব্যাপী কর্মশালায় প্রায় শতাধিক গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়, তন্মধ্যে দেশীয় প্রজাতির মুরগির জাত সংরক্ষণ, গ্রীষ্মকালীন ও শীতকালীন টমেটোর জাত উন্নয়ন, হাওরে চাষোপযোগী আগাম আমন ধানের চাষ উৎপাদন ব্যবস্থাপনা, হাওর ও বিলের সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জলজ ও মৎস্য সম্পদের উন্নয়ন, হাওর অঞ্চলে বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে কৃষকদের জীবন মানের উন্নয়ন, সঠিক পানি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষিজ উৎপাদন বৃদ্ধি উল্লেখযোগ্য।

কর্মশালায় বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

Share





Related News

Comments are Closed