Main Menu

ডোমারে শৈত্যপ্রবাহে ক্ষতির মুখে বোরো বীজতলা

মোঃ রিমন চৌধুরী, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধিঃ নীলফামারীর ডোমারে টানা কয়েকদিনের তীব্র শৈত্যপ্রবাহে বোরো বীজতলা হলুদ রং ধারনসহ ফ্যাকাশে রং ধারন করছে। বীজতলা রক্ষার্থে কৃষকরা নানা ধরনের পন্থা অবলম্বন করে বীজতলা বাঁচানোর চেষ্টা করছে। শৈত্যপ্রবাহ, হিমেল হাওয়া, রাতের ঘন কুয়াশায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বোরো বীজতলা।

উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা যায়, কেবল মাত্র নরম মাটিতে উকি মেরে বেড়ে উঠছে বোরো ধানের চারাগুলো। কিন্তু ঘনকুয়াশা, হিমেল বাতাসের কারনে চারার সবুজ কচি পাতাগুলো হলুদ হয়ে ফ্যাকাশে, লালচে রং ধারন করে শুকিয়ে যাচ্ছে বীজতলাতেই।

বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের কৃষক নুর ইসলাম বলেন, ধানের চারার বয়স কেবল মাত্র ১৫দিন। বীজতলায় ধান ফেলানোর কয়েক দিনের মধ্যে শুরু হয় শৈত্যপ্রবাহ, ঠান্ডা আর ঘনকুয়াশা। রাতে বেশি শীত পরার কারনে বীজতলার চারাগুলো মরে যাচ্ছে। শীতকাটা ঔষধ ব্যবহারেও কোন ফল পাওয়া যাচ্ছে না।

ডোমারের ভারপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা হাসিনুর ইসলাম জানান, সেচনির্ভর বোরো মৌসুমে উপজেলায় ১৩ হাজার একশত ৮০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। বীজতলায় চারার বয়স ৩০ থেকে ৪০দিন হলে সেখান থেকে তুলে জমিতে রোপন করা হয়। বীজতলায় বোরো ধানের চারা নষ্ট হয়ে যাওয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, উপজেলার প্রত্যেক ইউনিয়নের কৃষকের বীজতলা বাঁচাতে ডোমার কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর ব্যাপক তৎপর আছে। প্রত্যহ কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। যে সব বীজতলা হলুদ রং ধারন করেছে। সেইসব বীজতলায় প্রতি শতকে দুইশ আঁশি গ্রাম ইউরিয়া সার প্রয়োগ করে তিন চার দিনে কাজ না হলে উক্ত পরিমান বীজতলায় ৪শ গ্রাম জীব সার প্রয়োগ করলে উপকার পাওয়া যাবে। শৈত্যপ্রবাহ বেশী হলে সকাল হতে বিকাল পর্যন্ত স্বচ্ছ পলিথিন দিয়ে বীজতলা ঢেকে রাখতে হবে। রাতে তিন চার সেন্টিমিটার পানি বীজতলায় ধরে রাখতে হবে। সকালে সেই পানি বের করে দিতে হবে।

Share





Related News

Comments are Closed