Main Menu

তামাবিল দিয়ে ভারতে যেতে পারছেন বাংলাদেশিরা

Manual2 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশিদের ভারতে প্রবেশ শুক্রবার বন্ধ থাকলেও আজ শনিবার দুপুর ১টার পর থেকে বাংলাদেশিরা ভারতে যেতে পারছেন।

শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) বেলা ১টা থেকে বাংলাদেশি নাগরিকরা তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে ডাউকি হয়ে ভারতে প্রবেশ করছেন।

তামাবিল অভিবাসন কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক রমজান মিয়া বলেন, দুপুর ১টা থেকে যাত্রীরা ভারত যেতে পারছেন। ভারতীয় অভিবাসন কর্মকর্তারাও যাত্রী প্রবেশে বাধা দিচ্ছেন না।

Manual4 Ad Code

এর আগে ভারতের নাগরিকত্ব বিল নিয়ে উত্তেজনার প্রেক্ষিতে মেঘালয় রাজ্যে কারফিউ জারির কারণে শুক্রবার সকাল থেকে বাংলাদেশিদের সে দেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। এমনকি আজ সকাল থেকে দুপুর ১টা পর্যন্তও তা বন্ধ ছিল।

Manual5 Ad Code

এদিকে কোনও পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই আচমকা এই বাধায় বিপাকে পড়েন বাংলাদেশি পর্যটকেরা। আগে থেকে না জানায় শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) সকাল থেকে অনেক পর্যটক তামাবিলে জড়ো হন। বাংলাদেশের ইমিগ্রেশন থেকে তাদের ছেড়ে দেওয়া হলেও ভারতীয় ইমিগ্রেশন আটকে দেয় তাদের। ফলে ভারতের ডাউকি থেকে ফিরে আসতে হয় তাদের।

Manual7 Ad Code

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার তামাবিল স্থল বন্দর দিয়ে ডাউকি হয়ে সাধারণত ভারতের মেঘালয় রাজ্যে বেড়াতে যান বাংলাদেশিরা। শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় পর্যটকদের ভিড় ছিলও তুলনামূলক বেশি। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার থেকে মেঘালয়ের রাজধানী শিলংসহ কয়েকটি এলাকায় কারফিউ জারি করায় যাত্রীদের সেখানে যেতে দেওয়া হয়নি।

অভিবাসন ও স্থল বন্দর পুলিশের বিশেষ সুপার (এসপি) মো. মনিরুজ্জামান জানিয়েছিলেন, শুক্রবার সকালে বাংলাদেশ থেকে ইমিগ্রেশন শেষে ভ্রমণকারীরা ভারতে প্রবেশ করলে ভারতের ডাউকি ইমিগ্রেশন সেন্টার থেকে তাদের ফেরত পাঠানো হয়। এ ব্যাপারে ভারত ইমিগ্রেশন আগে থেকে আমাদের কিছু জানায়নি।

তবে যাত্রী যাতায়াত বন্ধ থাকলেও এই স্থল বন্দর দিয়ে পণ্য পরিবহন স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানান তামাবিল স্থল বন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) পার্থ ঘোষ। তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে মূলত পাথর ও কয়লা আমদানি হয়ে থাকে।

সিলেটের তামাবিল অভিবাসন কেন্দ্রের উপ-পুলিশ পরিদর্শক রমজান মিয়া শুক্রবার জানিয়েছিলেন, এদিন সকাল ১১টা পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে শতাধিক যাত্রীকে ভারতে যেতে দেয়া হয়। তবে কিচ্ছুক্ষণ পরই তারা ভারতের কাস্টমস থেকে ফিরে আসেন।

রমজান বলেন, এর কিচ্ছুক্ষণ পর ভারতীয় কাস্টমসের একজন কর্মকর্তা এসে মেঘালয়ের অস্থিরতার কারণে কাউকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না বলে জানান এবং এদিন (শুক্রবার) আর যাত্রী না ছাড়তে অনুরোধ করেন।

ভারতের ডাউকি কাস্টমস অফিসের কাস্টমস কর্মকর্তা ডেকলিন রেনজা শুক্রবার জানিয়েছিলেন, কারফিউর কারণে শিলংয়ে হোটেল-দোকানপাট সব বন্ধ আছে। পর্যটকদের দুর্ভোগ আর নিরাপত্তার কথা ভেবেই তাদের যেতে দেওয়া হয়নি। পরিস্থিতি শান্ত হলে আবার বাংলাদেশি পর্যটকরা যেতে পারবেন।

শুক্রবার তামাবিল দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানেরও ভারতে যাওয়ার কথা ছিলো। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার তিনি এ সফর বাতিল করেন।

উল্লেখ্য, ভারতে নাগরিকত্ব বিল পাস হওয়ার পর থেকে আসাম, ত্রিপুরা ও মেঘালয় রাজ্যে বিক্ষোভ ও সহিংসতা চলছে। এর প্রেক্ষিতে এসব রাজ্যে কারফিউ জারি করা হয়েছে।

Manual7 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code