Main Menu

দিরাইয়ে জীবন দাস হত্যাকান্ডের ২ আসামি গ্রেপ্তার

Manual4 Ad Code

ছাতক প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার কুলজ্ঞ ইউনিয়নের বহুল আলোচিত জীবন দাস হত্যাকান্ডের দুই মূল পরিকল্পনাকারীকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি পুলিশের একটি দল।

Manual4 Ad Code

বুধবার সকাল ১১টায় সুনামগঞ্জ সিআইডি জোনের ইন্সস্পেক্টর মো. আশরাফের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বোয়ালিয়া বাজারে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃতরা হলো হত্যাকান্ডের মূল পরিকল্পনাকারী বোয়ালিয়া গ্রামের মৃত সিদ্দেক মিয়ার ছেলে মো. ওয়াহিদ মিয়া ও পার্শ্ববর্তী ধাইপুর গ্রামের মো. সুজন মিয়ার ছেলে লকোজ মিয়া।

Manual1 Ad Code

জানা যায়, চলতি বছরের ২৪ মে এই হত্যাকান্ডের ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় কুলজ্ঞ গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে মো. রাজন মিয়া জীবন দাসকে তার গ্রামের বাড়ি বোয়ালিয়া বাজার থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকেই জীবন দাস নিখোঁজ হন। তার আত্মীয় স্বজনরা কোন খবরাখবর না পেয়ে তারা উদ্বিগ্ন ছিলেন। কিন্ত ঘটনার ৯ দিন পর গত ২রা জুন পার্শ্ববর্তী বিবিয়ানা নদীতে জীবন দাসের অর্ধগলিত ভাসমান লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন তার স্বজনদের খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ চিহিৃত করেন এবং তাৎক্ষণিক দিরাই থানা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে দিরাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ ঘটনায় নিহতের বড়ভাই লিটন দাস বাদি হয়ে গত ৪ জুন কুলজ্ঞ গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে রাজন মিয়াকে প্রধান করে আরো অজ্ঞাতনামা আসামী করে দিরাই থানায় একটি হত্যা মামলা (নং ০৪) দায়ের করেন।

Manual7 Ad Code

মামলা দায়েরের পর পুলিশ গত আগষ্ট মাসে ধাইপুর গ্রামের আরেক সন্দেহভাজন মনির হোসেনকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিলে সে জীবন হত্যাকান্ডের মূল দুই পরিকল্পনাকারী গ্রেফতারকৃত বোয়ালিয়া গ্রামের মো. ওয়াহিদ মিয়া ও পার্শ্ববর্তী ধাইপুর গ্রামের লকোজ মিয়ার সংশ্লিষ্টতার কথা ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে স্বীকারোক্তি দেয়। তবে প্রধান আসামী রাজন মিয়া হত্যাকান্ডের পর থেকে এলাকা ছাড়া হয়ে আত্মগোপনে রয়েছে। পরবর্তীতে বাদিপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলাটি সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয়।

Manual7 Ad Code

এ ব্যাপারে মামলার বাদি নিহত জীবন দাসের বড়ভাই লিটন দাস জানান, আমার ছোটভাই যুবলীগের একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে এই অঞ্চলের অসহায় মানুষজনের সুখ দুঃখে সব সময় পাশে থাকতেন। কিন্ত এই চক্রটি আমার ভাইকে সহ্য করতে না পেরেই তাকে হত্যা করা হয়। তিনি এই হত্যাকান্ডের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে দ্রত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তি প্রদানের দাবী জানান।

এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জ সিআইডি জোনের ইন্সস্পেক্টর মো. আশরাফ গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code