Main Menu

৩২ মণ ওজনের ‘রয়েল বিদ্যুত’

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: রয়েল বিদ্যুতের ওজন প্রায় ৩২ মণ। ৬ বছর বয়সী এ গরুটি লম্বায় ১৪ ফুট ও উঁচ্চতায় ৬ ফুট। এর জন্মও হয়েছে সিলেটে। এবারের কোরবানির ঈদে গরুটিকে বাজারে তোলা হবে। বাংলাদেশে যে কয়টি বৃহদাকারের গরু রয়েছে এর মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে রয়েল বিদ্যুত- এমন দাবি সিলেট খামারবাড়ীর প্রতিষ্ঠান সুরমা ক্যাটেল ফার্মের উদ্যোক্তা এডভোকেট মোহাম্মদ আবু নোমানের।

তিনি জানালেন, এ ষাঁড়ের জন্ম সিলেট সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর খামারে। তিন বছর বয়সে সেখান থেকে ‍তিনি কিনে আনেন। বর্তমানে এর বয়স ৬ বছর। সম্পূর্ণ অর্গানিক খাবারের মাধ্যমে এটি মোটাতাজারকরণ করা হয়েছে। গরুটির দর হাঁকছেন তিনি ১৫ লাখ টাকা; এ পর্যন্ত ৯ লাখ দর হয়েছে। গরুটির বয়স অনুসারে কোরবানির জন্য একটি আদর্শ গরু বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

শহরতলীর কুরবানটিলা এলাকায় ২০০২ সালে গরুর খামার গড়ে তোলেন এ আইনজীবী। এ বছর ঈদ ঘিরে তার খামারে রয়েল বিদ্যুত ছাড়াও বৃহদাকৃতির আরও বেশ ক’টি গরু রয়েছে। যেগুলোর ওজন ৫০০ থেকে ৬০০ কেজি। এছাড়া দেশি প্রজাতিরও কিছু পশু প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সবমিলিয়ে এবারের ঈদের জন্য ৫২টি গরু প্রস্তুত রেখেছেন বলেও জানান তিনি।

সুরমা ক্যাটেল ফার্ম ঘুরে দেখা যায়, টিনসেডের লম্বা ঘরে রাখা আছে ৩২টি গরু। ঘরে এক প্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকা ‘রয়েল বিদ্যুত’কে সাবান দিয়ে গোসল করাচ্ছেন এক কর্মচারী। একই সময় পাইপ দিয়ে পানিও ছিটাচ্ছেন অপর আরেক কর্মচারী। এছাড়া ঘরের এক কোনায় স্তুপ করে রাখা রয়েছে খড়ের গাদাও।

ফার্মের উদ্যোক্তা এডভোকেট মোহাম্মদ আবু নোমান বললেন, শুরু থেকেই তার ফার্মটির সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে অর্গানিক উপায়েই স্বাভাবিক দানাদার খামার দিয়েই তিনি গরু মোটাতাজাকরণ করে থাকেন। এজন্য তিনি খামারের পাশের জায়গা লিজ নিয়ে ঘাসের চাষও করছেন। পাশাপাশি খড়েরও বিশাল সংগ্রহ রয়েছে তার।

তিনি আরও বলেন, তার খামারে গরুর স্বাস্থ্যের দিকেও বিশেষ নজর দেয়া হয়। এজন্য তার খামারে একদল বিশেষজ্ঞ ভেটেরিনারি ডাক্তারও রয়েছে। তাছাড়া সার্বক্ষণিক পরিচর্যার জন্য ৫জন কর্মচারিও নিয়োজিত আছেন; যারা গরুকে গোসল করানো, খাবার খাওয়ানোসহ সার্বিক পরিচর্যা করে থাকেন।

তার দাবি, তার ফার্মের গরু শতভাগ সুস্থ এবং সবল। তিনি অর্গানিক খাবারেই গরু মোটাতাজা করেন। যে কারণে তার ফার্মের গরুর মাংসের বিষয়ে ক্রেতারা প্রশংসাও করে থাকেন। খামারে বর্তমানে ৩২ এবং বিক্রির জন্য নগরীর প্রধান পশুর হাট কাজিরবাজারে ২৪টি পশু নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

Share





Related News

Comments are Closed