Main Menu

‘ডিজিটাল সেন্টার এখন ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি’

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি বলেছেন, মাত্র ৮ বছরে ডিজিটাল সেন্টার হয়ে উঠেছে ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি। ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তাদের প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল সন্তানের স্বীকৃতি দিয়েছেন। ডিজিটাল সেন্টার প্রতিষ্ঠার সুফল এখন দৃশ্যমান। এটি প্রতিষ্ঠার ফলে যোগাযোগ, শিক্ষা, চিকিৎসাসহ সকল খাতেই তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার লক্ষণীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামীতে এসব সেন্টারকে ই-কমার্স হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা এবং তথ্যপ্রযুক্তি কেন্দ্রিক প্রায়োগিক প্রশিক্ষণ আয়োজনের মাধ্যমে ই-গভর্ন্যান্স, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও আইসিটি শিল্পের বিকাশে ডিজিটাল অর্থনীতির সক্রিয় অংশীদার হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এসময় প্রতিমন্ত্রী দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন।

তিনি বলেন, ২০২০ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মদিন পালন করা হবে। এ উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে ডিজিটাল সেন্টারের ১০০টি ডিজিটাল সেবা উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তারা মাসে গড়ে ১০ থেকে ৫০ হাজার টাকা আয় করছেন। দক্ষতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তাদের আয়ের পরিমাণও বাড়ছে। এদিকে ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে শুরু থেকে প্রশিক্ষণসহ নানা উদ্যোগ গ্রহণ করে সরকার। পাশাপাশি তিনি উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন এবং সেগুলো দ্রুত সমাধানের আশ্বাস প্রদান করেন।

২০ জুন বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় নগরীর আমান উল­াহ কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত সিলেট বিভাগীয় উদ্যোক্তা সম্মেলন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও এটুআই এর উপসচিব ও লোকাল ডেভেলপমেন্ট স্পেশালিস্ট মো. পারভেজ হাসান পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, এটুআই এর অতিরিক্ত সচিব ও প্রকল্প পরিচালক পিএএ মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, এটুআই এর উপসচিব ও ই-সার্ভিস স্পেশালিস্ট মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন, ডিজিটাল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস ল্যাবের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. তহরুল হাসান টুটুল, ই এম সল্যুশন আর্কিটেক্ট রেজওয়ানুল হক জামি প্রমুখ।

বেলুন ও শান্তির প্রতিক পায়রা উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন সিলেট বিভাগীয় কমিশনার মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী। এবারের স্লোগান ছিল “বাড়ছে সেবার বহর, গ্রাম হবে শহর”। এই স্লোগানকে সামনে রেখে উদ্যোক্তাদের জন্য এক ঠিকানায় সব সেবা, ভবিষ্যত পরিকল্পনা সহ বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

Share





Related News

Comments are Closed