Main Menu

এবার ইবি’র ডিন অফিসে তালা

শাহাব উদ্দীন অসীম, ইবি প্রতিনিধি: আরবি ও আল ফিকহ বিভাগকে থিওলজির সাথে পরীক্ষা নেওয়ায় সিদ্ধান্তে গত ২৯ আগস্ট থেকে প্রতিবাদ, অবস্থান কর্মসূচি, স্মারকলিপি প্রদানসহ বিভিন্ন কার্যক্রম করে আসছে বিভাগের শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনের ৫ম দিনে বেলা ১২টায় আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিভাগের সভাপতি ও ডিন অফিসে তালা দেয়। এসময় তারা প্রায় দুই ঘণ্টা ডিন ও সভাপতির অফিসে তালা দিয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে, মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভূক্ত আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগকে ধর্মতত্ব অনুষদের অধীনে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে মাঠে নামে শিক্ষার্থীরা। টানা ৫ম দিনের প্রতিবাদের অংশ হিসেবে তারা বিভাগের সামনে অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেয়। এক পর্যায়ে তারা বিভাগের সভাপতি ও মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অফিসে তালা দেয়। এর আগে বেলা ১১টায় তারা অনুষদীয় ডিন প্রফেসর ড. নেছার উদ্দিন আহমদের সাথে সাক্ষাৎ করে। তার কথায় আশ্বস্ত না হয়ে বিভাগের শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধি দল প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. মো: শাহিনুর রহমানের (ভারপ্রাপ্ত ভিসি) কাছে যায়। সেখান থেকেও আশার বাণী না পেয়ে শিক্ষার্থীরা বিভাগীয় সভাপতি ও ডিনের কার্যালয়ে তালা লাগিয়ে দেয়। এতে ডিন ও বিভাগের সভাপতি অন্য শিক্ষকসহ প্রায় দুই ঘন্টা অবরুদ্ধ থাকেন। এর আগে তারা একই দাবিতে গত সোমবার স্মারকলিপি দিয়েছিল।

ডিন অফিস অবরোধের সংবাদে ঘটনাস্থলে আসেন প্রক্টর প্রফেসর ড. মো: মাহবুবর রহমান। শিক্ষার্থীরা নিজেদের দাবিতে শ্লোগান দেয়ায় তিনি বলেন, ‘ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সেই জায়গায় নেই। মন চাইলো চিৎকার করলাম, আমাদের দাবি মানতে হবে, মানতে হবে। অসম্ভব। কোন দাবির প্রেক্ষিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন কিছু আদায় করা যাবে না।’

পরে আগামী শনিবার বিষয়টি সমাধানের সংবাদে তারা তালা খুলে দিয়ে আন্দোলন স্থগিত করে। এদিকে একই দাবিতে বিভাগের সামনে অবস্থান নিয়ে আছে আল-ফিকহ এন্ড লিগ্যাল স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থীরা। বুধবার তারা বিভাগের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। পরে সভাপতির আশ্বাসে তারা শনিবার পর্যন্ত আন্দোলন বন্ধ রেখে ফিরে যায়।

এ ব্যাপারে মানবিক অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. নেছার উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা আমার কাছে এসেছিল। আরবী বিভাগের শিক্ষকরাও আমার সাথে কথা বলেছে। তাদের দাবির প্রেক্ষিতে আমি প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়েছি। তারা একটি সমাধানে আসার জন্য সময় চেয়েছে।’

Share





Related News

Comments are Closed