Main Menu

কোম্পানীগঞ্জে টাস্কফোর্সের অভিযানে ২টি বোমা মেশিন জব্দ

কোম্পানীগঞ্জ (সিলেট) প্রতিনিধি: সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে টাস্কফোর্সের অভিযানে এবার পাথর খেকো শামিম ও তার ভাতিজা কেফায়েতের দুইটি বোমা মেশিন আটক করা হয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ রবিবার ভোর ৫টার দিকে ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারীর বাংকার নামক স্থানে টাস্কফোর্স অভিযান চালায়। অভিযানে অবৈধ ভাবে বোমা মেশিন দিয়ে পাথর উত্তোলন করার সময় দুটি বোমা মেশিন আটক করে টাস্কফোর্স। অভিযানের খবর পেয়ে বোমা মেশিন মালিক ও কর্মচারীরা পালিয়ে যায়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাসুদ রানা এবং কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হাই । জব্দকৃত দুটি বোমা মেশিনের মালিক পারুয়া গ্রামের আলোচিত পাথর খেকো শামিম আহমদ ও তার ভাতিজা কেফায়েত উল্লাহ বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ব্যাপারে শামিমকে প্রধান আসামী করে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে কোম্পানীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং- ১২।
জানা যায় বিগত ২০০৯ সাল থেকে ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারী এলাকায় বোমা মেশিন দিয়ে শামিম বাহিনীর নেতৃত্বে তার লোকজন অবৈধ ভাবে পাথর উত্তোলন করছিল। ফলে ভোলাগঞ্জ কোয়ারি এলাকা বিরান ভূমিতে পরিনত হয়। শামিমের নেতৃত্বে তার বাহিনীর লোকজন অবৈধ বোমা মেশিন দিয়ে ধ্বংস করা হয় ভোলাগঞ্জ ষ্টোন ক্রাশিং প্লান, গুচ্চগ্রাম, দয়ার বাজার, কালাইরাগ, লিলাইবাজার সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। ফলে শত শত কোটি টাকার সম্পদ নষ্ট করা হয়। কেউ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল লেইছ ও সদ্য যোগদান কারী সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাসুদ রানা এবং কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হাই যোগদান করার পর থেকেই ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারী এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে অবৈধ বোমা মেশিন ও চাদাঁবাজির বিরুদ্ধে নিয়মিত টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করছে। গত শুক্রবারও অভিযান চালিয়ে ২০টি বোমা মেশিন ধ্বংস এবং ইমামুদ্দিন নামের একজনকে আটক করা হয়। আটক ইমামুদ্দিন পাথর খেকো শামিমের আপন চাচাতো ভাই।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল হাই জানান একটি সংঘবদ্ধ পাথর খেকো চক্র বোমা মেশিন দিয়ে ভোলা্গঞ্জ বাংকার এলাকায় ও গুচ্ছগ্রাম ধ্বংস করে রাতের আধারে পাথর উত্তোলনে লিপ্ত হয়। ভোর হলেই চক্রটি মেশিন সরিয়ে ফেলে । ফলে কৌশল পরিবর্তন করে গভীর রাতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

Share





Related News

Comments are Closed