Main Menu

নির্বাচন প্রত্যাখান করলেন আরিফ

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: ভোট ডাকাতির অভিযোগ এনে সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন প্রত্যাখান করেছেন বিএনপি ও ২০ দলীয় জোটের মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী।
আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘সিলেটে ভোট হয় নাই, ডাকাতি হয়েছে। এই নির্বাচন প্রত্যাখান করলাম।’
সরকারদলীয় কর্মী সমর্থকদের দ্বারা নগরীর বিভিন্ন স্থানে ৪৭টি ভোট কেন্দ্র দখল হয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন আরিফ। তিনি বলেন, নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে লক্ষাধিক ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হতাম।
সোমবার বিকেল চারটায় নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।
আরিফ বলেন- ‘এ ধরনের নির্বাচন আমি আমার এ জীবনেও দেখি নাই। দিনেদুপুরে প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, আশফাক আহমদ, শফিকুর রহমান, আজাদুর রহমান আজাদ, রণজিত সরকার, বিজিত কুমার মাইক্রোবাস দিয়ে ঘুরে ঘুরে কেন্দ্র দখল করেছেন।’ এসময় আরিফ অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তার নিজের কেন্দ্র দখল করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, কাজী জালাল উদ্দিন বিদ্যালয়ে অনবরত ব্যালটে সিল মারা হয়েছে। মহিলা পুলিশরা বসে বসে ভোট দিয়েছেন। আমার এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে, মারধর করা হয়েছে। সকাল থেকে ধারাবাহিকভাবে জাল ভোট দেয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।
আরিফ বলেন, আল্লাহর কাছে বিচার দেয়া ছাড়া এ দেশে বিচার দেয়ার আর কোনো জায়গা নাই।
এ নির্বাচনে সিলেটে রাজনৈতিক সম্প্রীতির ইতিহাস ধুলিস্মাৎ হয়ে গেছে উল্লেখ করে আরিফ বলেন, ‘এটা ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য শুভ নয়। এই কালচার দেশের জন্য ক্ষতিকর।’
এসময় তিনি নির্বাচন কমিশনকে ‘মেরুদন্ডহীন’ বলেও মন্তব্য করেন। তিনি বলেন- ‘তাদের মতো অকার্যকর নির্বাচন কমিশন কিভাবে টেলিভিশনের সামনে এসে সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি করে? ভোট ডাকাতির নির্বাচন আবার প্রমাণ করলো, এই নির্বাচন কমিশনার মেরুদন্ডহীন। ইসির লজ্জা-শরম থাকলে তারা পদত্যাগ করতো। ’
সরকারের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, ‘আপনাদের প্রশাসন বাদ দিয়ে সেনাবাহিনী নিয়ে নির্বাচনে আসুন, আপনাদের যেকোনো নেতা আমার সাথে নির্বাচন করে দেখুন আপনাদের কি অবস্থা হয়।’
নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে লক্ষাধিক ভোটের ব্যবধানে জয়ী হতেন বলেও মন্তব্য করেন আরিফ। তিনি বলেন, ‘আমি নির্বাচন বর্জন করি নাই। কারণ বর্জন কোনো সমাধান নয়।’
এসময় তিনি আরো বলেন, এই সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচনে যাওয়া উচিত হবে কিনা ২০ দলীয় জোটের চিন্তা করা দরকার।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কলিম উদ্দিন মিলন, কেন্দ্রীয় সদস্য ডা. শাহরিয়ার হোসেন চৌধুরী, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদসহ জেলা ও মহানগর বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

Share





Related News

Comments are Closed