Main Menu

সিলেটের ওয়ার্ড ভিত্তিক ভোট কেন্দ্রের তালিকা

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেট সিটি নির্বাচনে ২৭টি ওযার্ডে ১৩৪টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) কেন্দ্র রয়েছে ৮০টি। আর ৫৪টি সাধারণ কেন্দ্র হিসাবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। প্রতিটি সাধারণ কেন্দ্রে ২২ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ২৪ জন করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়ন থাকবেন। এবার ভোট কক্ষ রয়েছে ৯২৬টি। তারমধ্যে ৩৪টি অস্থায়ী ভোট কেন্দ্র রয়েছে। দুটি কেন্দ্রে ইভিএম ভোট অনুষ্ঠিত হবে।

ইতিমধ্যে নির্বাচনের সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন। আজ রোববার সকালে আবুল মাল আবদুল মুহিত ক্রীড়া কমপ্লেক্সে স্থাপিত কন্ট্রোলরুম থেকে ব্যালট বাক্স, ব্যালট পেপারসহ নির্বাচনী যাবতীয় সরঞ্জাম কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছানো হবে।

আগামীকাল ৩০ জুলাই সোমবার অনুষ্ঠিতব্য সিলেট সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে ছয়জন, সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৬৩ জন এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১২৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ২৭টি ওয়ার্ডে ৯২৬টি ভোট কক্ষে তিন লাখ ২১ হাজার ৭৩২ জন ভোটার ভোটের মাধ্যমে তাদের জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করবেন।

এর মধ্যে সিলেট সিটির ১নং ওয়ার্ডের ৮ হাজার ৮৮১জন ভোটার ৪টি কেন্দ্রে ভোট দেবেন। এগুলো হচ্ছে- চৌহাট্টা আলিয়া মাদ্রাসা, দরগা জালালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। আলিয়া মাদ্রাসার উত্তর ও পূর্বপাশের ভবনের ৩টি কেন্দ্রের দুটিতে পুরুষ ও অন্যটিতে নারীরা ভোট দেবেন। এছাড়াও দরগা জালালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রয়েছে একটি পুরুষ ও মহিলা কেন্দ্র।

নগরের সবচেয়ে কম ভোটারের ২নং ওয়ার্ডের মোট ভোটার ৬ হাজার ৭৫৪ জন। তারা ৩টি কেন্দ্রে ভোট দেবেন। মদন মোহন কলেজ নতুন ভবনের কেন্দ্রে পুরুষ ও পুরাতন ভবনে মহিলারা ভোট দিবেন। এছাড়াও দাড়িয়াপাড়ায় রসময় হাইস্কুলে রয়েছে পুরুষ ও মহিলাদের ভোট কেন্দ্র।

৩নং ওয়ার্ডের ১১ হাজার ৯০৫জন ভোটারের জন্য রয়েছে ৫টি ভোটকেন্দ্র। মীরের ময়দানে ব্লু-বার্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজে, পুরাতন ভবনে পৃথক দুটি কেন্দ্র এবং পুলিশ লাইন উচ্চ বিদ্যালয়ের উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিম পাশের ভবন মিলিয়ে ৩টি কেন্দ্র ভোটাররা ভোট দেবেন।

৪নং ওয়ার্ডের ৮ হাজার ৭৭৮জন ভোটারদের জন্য রয়েছে ৪টি ভোটকেন্দ্র। এগুলো হচ্ছে- হাউজিং এস্টেটের আম্বরখানা গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভবন নং ৩ ও ৫ এর দুটি কেন্দ্র এবং আম্বরখানা সরকারি কলোনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দক্ষিণ ও পশ্চিম পাশের ভবনে দুটি কেন্দ্র। এছাড়াও আম্বরখানা গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও আম্বরখানা সরকারি কলোনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এ দুটি কেন্দ্রের মধ্যে সর্বমোট ৪ হাজার ১৬৯ জন ভোটার ইভিএম পদ্ধতির ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন।

৫নং ওয়ার্ডের ১৫হাজার ১৯জন ভোটারদের জন্য ৭টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে। এই কেন্দ্রগুলো হলো- খাসদবীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উত্তর ও দক্ষিণ পাশের ভবনে দুটি কেন্দ্র ও ইলেকট্রিক সাপ্লাই রোডে স্কলার্স হোম প্রিপারেটরি স্কুল, খাসদবীরে জামেয়া মাদিনাতুল উলুম দারুস সালামের প্রথম ও দ্বিতীয় তলায় দুটি কেন্দ্র, হাজারীবাগে এভারগ্রিন একাডেমি এবং গ্রিন ফেয়ার কিন্ডার গার্ডেন।

৬নং ওয়ার্ডে ভোটার রয়েছেন ১২হাজার ৪৪১জন। এই ওয়ার্ডের ভোটাররা ৪টি ভোট কেন্দ্রে ভোট দেবেন। কেন্দ্রগুলো হচ্ছে- চৌকিদেখীর বিলাস কমিউনিটি সেন্টার, শাহপরান (রহ.) প্রি-ক্যাডেট একাডেমি এবং আনোয়ার মতিন একাডেমি (দুটি কেন্দ্র)।

৭নং ওয়ার্ডের ভোটার ১৮ হাজার ৫৭৩জন। এসব ভোটাররা ৮টি ভোট দেবেন। কেন্দ্রগুলো হচ্ছে- সুবিদবাজারে প্রাইমারি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (পিটিআই) নতুনভবন, পিটিআই-এর একাডেমিক ভবনে দুটি কেন্দ্র, হলি সিটি পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, জালালাবাদ আবাসিক এলাকায় আবদুল গফুর ইসলামী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে দুটি কেন্দ্র, পশ্চিম পীরমহল্লায় গৌছ উদ্দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং গৌছুল উলুম জামেয়া ইসলামিয়া।

৮নং ওয়ার্ডে ভোটার রয়েছেন ১৮হাজার ১৯০জন। এই ওয়ার্ডে রয়েছে ৮টি ভোট কেন্দ্র। কেন্দ্রগুলো হচ্ছে- পাঠানটুলায় শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল মাদরাসায় ৩টি কেন্দ্র, নোয়াপাড়ায় সিটি মডেল স্কুল, ব্রাহ্মণশাসনে বীরেশ চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ে দুটি কেন্দ্র এবং তারাপুরে মদন মোহন কলেজ কমার্স ফ্যাকাল্টিতে দুটি কেন্দ্র।

৯নং ওয়ার্ডে রয়েছে ৭টি ভোট কেন্দ্র। এ ওয়ার্ডের মোট ভোটার ১৫ হাজার ৮৯২ জন। কেন্দ্রগুলো হলো- পাঠানটুলা দ্বি-পাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়ে দুটি কেন্দ্র, বাগবাড়িতে এতিম স্কুলের দুটি কেন্দ্র, বাগবাড়িতে বর্ণমালা সিটি একাডেমি, বিদ্যারণ্য স্কুল ও মহিলা কলেজ এবং সুবিদবাজারে আনন্দ নিকেতন।

১০নং ওয়ার্ডে ভোটার রয়েছেন ১৫ হাজার ৮৬৮জন। এখানে রয়েছে ৬টি ভোট কেন্দ্র। কেন্দ্রগুলো হলো- ঘাসিটুলার জালালাবাদ স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঘাসিটুলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ডহর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুটি কেন্দ্র এবং মঈন উদ্দিন আদর্শ মহিলা কলেজে দুটি কেন্দ্র।

১১নং ওয়ার্ডে ভোট কেন্দ্র আছে ৫টি। এগুলো হচ্ছে- মধুশহীদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুটি, ভাতালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুটি এবং লামাবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এই ওয়ার্ডে ভোটার রয়েছেন ১৩ হাজার ১০জন।

১২নং ওয়ার্ডে ভোটার রয়েছেন ৯ হাজার ৮৭৭জন। এখানে রয়েছে ৪টি ভোট কেন্দ্র। কেন্দ্রগুলো হলো-শেখঘাটের মঈনুন্নেসা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে দুটি, শেখঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং শেখঘাটে সরকারি বাকশ্রবণপ্রতিবন্ধী বিদ্যালয়।

১৩নং ওয়ার্ডে রয়েছেন ৯ হাজার ৫১৯জন ভোটার। রয়েছে ৩টি ভোট কেন্দ্র। কেন্দ্রগুলো হচ্ছে- জামিয়া ইসলামিয়া মাদানিয়া কাজিরবাজার মাদ্রাসা, মির্জাজাঙ্গাল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং চাঁদনীঘাটের সারদা স্মৃতিভবন।

১৪নং ওয়ার্ডে ভোটার রয়েছেন ৯ হাজার ১৫৮ জন। এখানে রয়েছে ৪টি ভোট কেন্দ্র। কেন্দ্রগুলো হচ্ছে- জিন্দাবাজারে সরকারি অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, কালীঘাটে সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে দুটি ও চালিবন্দরে হাকিম বশীরুল হক ছাত্রাবাস।

১৫নং ওয়ার্ডে ভোটার রয়েছেন ১০ হাজার ৩৭৯ জন। এই ওয়ার্ডের ভোটাররা ৪টি ভোট কেন্দ্রে ভোট দেবেন। কেন্দ্রগুলো হচ্ছে- বন্দরবাজারে দুর্গা কুমার পাঠশালা, মিরাবাজারে শাহজালাল জামিয়া ইসলামিয়া স্কুল এন্ড কলেজে দুটি ও মিরাবাজারে কিশোরী মোহন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (বালক শাখা) কেন্দ্র।

১৬নং ওয়ার্ডে ভোটার রয়েছেন ৯ হাজার ৪১৯জন। এখানে রয়েছে ৪টি ভোট কেন্দ্র। তাঁতিপাড়ায় দি এইডেড হাই স্কুল এবং নয়াসড়কে কিশোরী মোহন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩টি কেন্দ্রে ভোটাররা ভোট দেবেন।

১৭নং ওয়ার্ডে ভোটার রয়েছেন ১৩ হাজার ৭৯৩জন। এই ওয়ার্ডে ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৬টি। কেন্দ্রগুলো হচ্ছে- কাজীটুলায় কাজী জালাল উদ্দিন বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাজী জালাল উদ্দিন বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুটি, লোহারপাড়ায় শাহীন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কাজীটুলায় দি রয়েল এমসি একাডেমি এবং আম্বরখানা দরগা গেইট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

১৮নং ওয়ার্ডে রয়েছেন ১১ হাজার ৬১৯জন। এখানে রয়েছে ৫টি ভোটকেন্দ্র। এগুলো হচ্ছে- মিরাবাজারের মডেল হাই স্কুল, ঝর্ণারপারস্থ কাজী জালাল উদ্দিন বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে দুটি এবং রায়নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুটি কেন্দ্র।

১৯নং ওয়ার্ডে ভোটার হচ্ছেন ১১ হাজার ৬২৬জন। এখানে রয়েছে ৪টি ভোটকেন্দ। কেন্দ্রগুলো হচ্ছে – শাহী ঈদগা’র শাহমীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুটি, বখতিয়ার বিবি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং দর্জিপাড়ায় সার্ক ইন্টারন্যাশনাল কলেজ।

২০নং ওয়ার্ডে ভোটার রয়েছেন ১০হাজার ৫৬৪জন। এখানে ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৫টি। কেন্দ্রগুলো হচ্ছে – এমসি কলেজ, দেবপাড়ার নবীনচন্দ্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুটি এবং সাদিপুরে সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে দুটি কেন্দ্র।

২১নং ওয়ার্ডে ভোটার রয়েছেন ১১ হাজার ৯৩৩ জন। এখানে রয়েছেন ৫টি ভোটকেন্দ। কেন্দ্রগুলো হচ্ছে- সাদিপুরের সৈয়দ হাতিম আলী প্রাথমিক বিদ্যালয়, কালাসীলে চান্দু শাহ জামেয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা, সোনারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুটি এবং শিবগঞ্জে স্কলার্স হোম প্রিপারেটরি স্কুল।

২২নং ওয়ার্ডে ভোটার রয়েছেন ১০ হাজার ১৯৭জন। এখানে ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৫টি। কেন্দ্রগুলো হচ্ছে – শাহজালাল উপশহর উচ্চ বিদ্যালয়ে দুটি, উপশহরে শাহজালাল আদর্শ বিদ্যালয়, শাহজালাল উপশহর একাডেমি এবং উপশহরে বাংলাদেশ ব্যাংক স্কুল।

২৩নং ওয়ার্ডে ভোটার রয়েছেন ৬ হাজার ৯৮৭জন। এখানে রয়েছে ৩টি ভোটকেন্দ্র। কেন্দ্রগুলো হচ্ছে- মাছিমপুরের আব্দুল হামিদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুটি এবং মেন্দিবাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

২৪নং ওয়ার্ডে ভোটার রয়েছেন ১২ হাজার ৭২২জন। এখানে ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৪টি। কেন্দ্রগুলো হচ্ছে- উমরশাহ তেররতন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুটি, টুলটিকরে গাজী বুরহান উদ্দিন গরম দেওয়ান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং কুশিঘাটায় শাহগাজী সৈয়দ বুরহান উদ্দিন (রহ.) মাদ্রাসা।

২৫নং ওয়ার্ডে ভোটার রয়েছেন ১২ হাজার ৬৪৬জন। এখানে ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৬টি। কেন্দ্রগুলো হচ্ছে- কায়স্থরাইল উচ্চ বিদ্যালয়, মেনিখোলা মৌর বিবি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কায়স্থরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, খোজারখলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুটি কেন্দ্র এবং টেকনিক্যাল রোডে সিলেট টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ।

২৬নং ওয়ার্ডে ভোটার রয়েছেন ভোটার ১৪ হাজার ১৪২জন। এখানে ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৬টি। কেন্দ্রগুলো হচ্ছে- ভার্থখোলার নছিবা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে দুটি, কদমতলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুটি, ঝালোপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং রেলওয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট কেন্দ্র।

২৭নং ওয়ার্ডে রয়েছেন ১১ হাজার ৮৪০জন ভোটার। এখানে রয়েছে ৫টি ভোট কেন্দ্র। কেন্দ্রগুলো হচ্ছে- পাঠানপাড়ার জহির তাহির মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ে দুটি, গোটাটিকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোটাটিকর দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় এবং হবিনন্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

সিলেট সিটিতে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ-বিএনপির প্রার্থীসহ ছয় প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন। তারা হলেন- আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের সমর্থিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট সমর্থিত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী, নাগরিক ফোরামের ব্যানারে দেয়াল ঘড়ি প্রতীকে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী নগর জামায়াতের আমীর এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী ডা. মোয়াজ্জেম হোসেন, সিপিবি-বাসদের মই প্রতীকের প্রার্থী আবু জাফর ও স্বতন্ত্র হরিণ প্রতীকের প্রার্থী এহসানুল হক তাহের।

Share





Related News

Comments are Closed