Main Menu

পাবনায় ছোট ভাই, মা ও খালাকে কুপিয়ে হত্যা

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: পাবনার বেড়া উপজেলায় ছেলের বিরুদ্ধে তার মা, ছোট ভাই ও আপন খালাকে গলা কেটে ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ছেলের নাম তুহিন (২৬)। ঘটনার পর থেকে সে পলাতক রয়েছে। বুধবার (০৪ জুলাই) ভোররাত ৪টার দিকে উপজেলার সোনাপদ্মা তারাবটতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- মিঠু শেখের স্ত্রী বুলি বেগম (৪০), তার ছেলে তুষার (১০) ও খালা মরিয়ম খাতুন (৫০)। মরিয়ম একই গ্রামের আবু বকরের স্ত্রী। ।

বেড়া মডেল থানার ওসি মোজাফ্ফর হেসেন জানান, তুহিনের মা, ছোট ভাই এবং খালা একই ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। তুহিন এবং তার স্ত্রী পাশের ঘরে ছিলেন। তুহিনের বাবা খুলনায় শ্রমিকের কাজ করেন এবং ঘটনার রাতে তিনি ছিলেন খুলনাতেই।

বুধবার ভোররাত ৪টার দিকে তুহিন একটি ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার মায়ের ঘরে ঢোকে এবং মা, খালা ও ছোট ভাইকে ঘুম থেকে টেনে তুলে বারান্দায় নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। এসময় তুহিনের স্ত্রী ঠেকাতে গেলে তাকেও তাড়িয়ে দেয়। হত্যার পরপরই ঘাতক তুহিন পালিয়ে যায়।

পরিবারের বরাত দিয়ে ওসি জানান, তুহিন ২ মাস ধরে টাইফয়েড জ্বরে ভুগছিল। এছাড়া পারিবারিক কলহসহ নানা কারণে সে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিল।

এদিকে এলাকাবাসী জানান, তুহিন ছিল মাদকাশক্ত। মায়ের কাছে নেশার টাকা চেয়ে না পেয়ে প্রথমে সে মাকে কুপিয়ে হত্যা করে এবং খালা ও ছোটভাই এগিয়ে আসলে তাদেরও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এসময় তুহিনের স্ত্রী রুনা বেগম দৌড়ে পার্শ্ববর্তী আলম শেখের বাড়িতে আশ্রয় নেয় এবং হত্যার কথা জানায়। আলম শেখের বাড়ির লোকজনসহ অন্য প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে গেলে ঘাতক তুহিন পালিয়ে যায়।

পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস জানান, তুহিনকে গ্রেফতার করা গেলে হত্যার প্রকৃত কারণ জানা যাবে। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

Share





Related News

Comments are Closed