Main Menu

হবিগঞ্জে সিএনজি শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে আহত ৫০

ছনি চৌধুরী, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: মহাসড়কে সিএনজি চালিত অটোরিকশা চলাচলের অনুমতিকে কেন্দ্র করে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে সিএনজি শ্রমিকদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পুলিশসহ অর্ধশতাধিক শ্রমিক আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় ১৫ পুলিশ সদস্যকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে গ্রেফতার আতঙ্কে শ্রমিকরা হাসপাতালে আসছেন না বলে খবর পাওয়া গেছে। তবে বিকল্পভাবে বিভিন্ন ক্লিনিকে আহত শ্রমিকদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নছরতপুর নামকস্থানে এঘটনা ঘটে ।
জানা যায়, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নছরতপুরে মহাসড়কে সিএনজি চলাচলের দাবীতে সিএনজি শ্রমিকরা শুক্রবার ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে মহাসড়কে আন্দোলনে নামে। এ সময় পুলিশ তাদেরকে সরিয়ে দিতে চাইলে দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সময় শ্রমিকরা মহাসড়ক অবরোধ করে টায়ারে আগুন ধরিয়ে বিক্ষোভ করেন। এদিকে সংঘর্ষের সময় গুরুতর আহত অবস্থায় শায়েস্তাগঞ্জ থানার এসআই দেলোয়ার হোসেনসহ ১৫ পুলিশ সদস্যকে সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে পুলিশের রাবার বুলেটে আহত শ্রমিকরা গ্রেফতার আতঙ্কে সদর হাসপাতালে আসতে পারছেন না।
এদিকে, খবর পেয়ে শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে আহত পুলিশ সদস্যদের দেখতে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ছুটে আসেন পুলিশ সুপার বিধান ত্রিপুরা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসম শামছুর রহমান ভূইয়া। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসম শামছুর রহমান ভূইয়া জানান, শ্রমিকরা রাস্তা অবরোধ করলেও পুলিশ অবরোধ সরানোর চেষ্টা করে। এ সময় শ্রমিকরা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। তিনি বলেন, ‘কয়জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে এই মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না।
এ ব্যাপারে শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসিম উদ্দিন জানান, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে মহাসড়কে সিএনজি অটোরিকশা চলাচল করায় বৃহস্পতিবার ৫টি গাড়ি আটক করে পুলিশ। পরে সিএনজি শ্রমিক ও মালিকদের পক্ষ থেকে সিএনজিগুলো ছেড়ে দেয়ার জন্য দাবী করা হয়। সিএনজি ছেড়ে না দেয়ায় শুক্রবার সকালে শ্রমিকরা নছরতপুর মোড়ে মহাসড়কে অবরোধ করলে পুলিশ বাধা দেয়। এর জের ধরে শ্রমিকরা পুলিশের উপর হামলা করে।

Share





Related News

Comments are Closed