Main Menu

স্বাগত ২০১৮

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: ২০১৮ সাল নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে, সেই প্রত্যাশা নিয়ে নতুন বছর বরণ করছে বাংলাদেশ। রাত ১২টা বাজার সঙ্গে সঙ্গে আতশবাজি ফুটিয়ে ও ফানুস উড়িয়ে ২০১৮ সালকে বরণ করে নিয়েছে রাজধানীবাসী।

পুলিশের নিষেধাজ্ঞার পরও রাত ১২টা বাজার সঙ্গে সঙ্গে একের পর এক ফুটতে আতজবাজি, আর উড়তে থাকে ফানুস। বাসা-বাড়ির ছাদে উঠে অনেকেই নববর্ষের এ আনন্দকে উপভোগ করেন। চারপাশ থেকে ধ্বনিত হয় উচ্ছাস আর হল্লা।

গতরাতে রাজধানীর উন্মুক্ত স্থানে বড় কোনো জমায়েত হতে দেয়নি পুলিশ। বন্ধু-বান্ধব নিয়ে তরুণদল রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে নববর্ষ উদযাপন করেন।

থার্টি ফার্স্ট নাইট ঘিরে ঢাকা মহানগর পুলিশ বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, হাতিরঝিল, গুলশান, বনানী ও বারিধারায় বিশেষ নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়। তারুণ‌্যের উদ্দামতা দেখা যায় বিশ্ববিদ‌্যালয়ের টিএসসি এলাকায়।

হাতিরঝিল ছিল যানবাহন ও জন-মানবশূন্য। তবে তারকা হোটেলগুলোতে ছিল উপছেপড়া ভিড়। হোটেলগুলো সাজানো হয়েছিল রঙিন বাতিতে।

নতুন ইংরেজি বছরে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

রাষ্ট্রপতি এক বাণীতে বলেন, “নববর্ষ সকলের মাঝে জাগায় প্রাণের নতুন স্পন্দন, নতুন আশা, নতুন সম্ভাবনা।

বিগত বছরের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা পেছনে ফেলে নতুন বছরে অমিত সম্ভাবনার পথে এগিয়ে যাক বাংলাদেশ, খ্রিস্টীয় নববর্ষে এ প্রত্যাশা করি।”

সবার জীবনে অনাবিল আনন্দ ও কল্যাণ কামনা করেন তিনি।

পুরাতন সব জঞ্জাল ধুয়ে-মুছে নতুন সূর্যের আলোয় বাংলাদেশ আলোকিত হবে প্রত্যাশা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেন, “নতুন বছর আমাদের সবার জীবনে অনাবিল সুখ, সমৃদ্ধি ও শান্তি বয়ে আনুক।”

বিদায়ী বছরকে সাফল্যময় উল্লেখ করে সরকারের নেওয়া নানা পদক্ষেপ, অর্জন ও সফলতা তুলে ধরেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০১৭ সাল আমাদের জন্য একটি গৌরবোজ্জ্বল বছর। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বছরটি ছিল বাংলাদেশের জন্য সাফল্যময় বছর।”

বাংলাদেশ নিম্ন মধ্যমআয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “অর্থনৈতিক অগ্রগতির সূচকে বিশ্বের শীর্ষ পাঁচটি দেশের একটি আজ বাংলাদেশ। বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল।”

Share





Related News

Comments are Closed