Main Menu

সিলেট খাজাঞ্চিবাড়ি ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষিকার সনদ জালিয়াতি নিয়ে তোলপাড়

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট নগরীর নয়সাড়কে অবস্থিত ইংরেজী মাধ্যমের স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দি সিলেট খাজাঞ্চিবাড়ি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের (এসকেআইএসসি) এক শিক্ষিকার সনদ জালিয়াতি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে তোলপাড় চলছে। ভুয়া সার্টিফিকেটে (সনদ জালিয়াতি) গত কয়েক বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটিতে চাকুরী করছেন ওই শিক্ষিকা।
সূত্র জানায়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এরই মধ্যে ওই শিক্ষিকার স্নাতক (পাস) কোর্সের সনদ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক ইস্যুকৃত নয় বলে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রিপোর্ট প্রাপ্তির পর কর্তৃপক্ষ ওই শিক্ষিকাকে শো’কজ করেছেন। এ বিষয়ে কলেজের একাডেমিক কাউন্সিলের পরবর্তী বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
জানা গেছে, এসকেআইএসসিতে শম্পা চক্রবর্তী নামের ওই শিক্ষিকা জুনিয়র শিক্ষক হিসাবে কর্মরত ছিলেন। ৭/৮ বছর আগে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ¯œাতক উত্তীর্ণের সনদ দেখিয়ে তিনি অ্যাসিস্ট্যান্ট টিচার (সহকারী শিক্ষক) হিসাবে পদোন্নতি লাভ করেন। সম্প্রতি ¯œাতক পাসের সনদের ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের সন্দেহের উদ্রেক হয়। প্রতিষ্ঠানে ওই শিক্ষিকার দাখিল করা সনদে রোল-১০৭২২০, রেজিস্ট্রেশন নম্বর-৯১৭৭৩২, শিক্ষাবর্ষ-২০০৩, বিএ (পাস) পরীক্ষা-২০০৪, দ্বিতীয় বিভাগ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় উল্লেখ রয়েছে। সনদটি সঠিক কিনা তা যাচাইয়ের জন্য সম্প্রতি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রেরণ করা হয়। জবাবে বলা হয়, ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেকর্ড অনুযায়ী ফলাফল সঠিক নয় এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক ইস্যুকৃত সনদ নয়।’
যোগাযোগ করা হলে প্রতিষ্ঠানের ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল বাকি চৌধুরী শিক্ষিকার সনদ জালিয়াতির বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, এরই মধ্যে ওই শিক্ষিকাকে শো’কজ করা হয়েছে এবং এ ব্যাপারে তার জবাব চাওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সিলেটের জেলা প্রশাসক রাহাত আনোয়ারও এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের কাছে একটি রিপোর্ট চেয়েছেন। তিনি বলেন, বিষয়টি প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক কাউন্সিল এবং ট্রাস্টি বোর্ডের সভায় আলোচনা করা হবে। তিনি বলেন, নিয়ম-নীতি অনুসারে ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Share





Related News

Comments are Closed