Main Menu

স্কুলের সেপটিক ট্যাংকে ছাত্রের লাশ, গ্রেফতার ৩

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: অপহরণের পাঁচদিন পর নিজের স্কুলের সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার করা হয়েছে নবম শ্রেণির এক ছাত্রের লাশ।
এ ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে ওই স্কুলেরই দুই এসএসসি পরীক্ষার্থী ও পার্শ্ববর্তী মাদ্রাসার এক দাখিল পরীক্ষার্থীকে।
৮ নভেম্বর বুধবার রাতে কুমিল্লার হোমনা উপজেলার দুলালপুর চন্দ্রমনি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জাহিদ হোসেন নামে ওই ছাত্রের লাশ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় আটককৃতরা হল- দুলালপুর চন্দ্রমনি উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী খাইরুল ও এমদাদ এবং স্থানীয় একটি মাদ্রাসার দাখিল পরীক্ষার্থী জিদাদ।
নিহত জাহিদ দুলালপুর গ্রামের ব্যবসায়ী আক্তারুজ্জামানের ছেলে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, গত ৪ নভেম্বর জাহিদ বাড়ি থেকে স্থানীয় একটি বাজারে যায়। এর পর তার স্কুলের ছাত্র খাইরুল ও এমদাদসহ তিনজন তাকে জোর করে বাজারের একটি ঘরে নিয়ে আটকে রাখে।
সেখানেই রাতে তাকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার পর লাশ স্কুলের সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেয়।
এর পর ঘাতকরা জাহিদের পরিবারের মোবাইল ফোনে কল দিয়ে মুক্তিপণ হিসেবে ৫০ লাখ টাকা দাবি করে।
বিষয়টি তারা থানায় অবহিত করার পর পুলিশ তদন্তে নামে।
মোবাইল কলের সূত্র ধরে পুলিশ খাইরুল, এমদাদ ও জিদাদকে গ্রেফতার করে। তারা জাহিদকে হত্যা ও স্কুলের সেপটিক ট্যাংকে লাশ গুমের কথা স্বীকার করে।
পরে বুধবার রাত ১০টার দিকে ঘাতকদের স্বীকারোক্তি মোতাবেক স্কুলের সেপটিক ট্যাংক থেকে জাহিদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
হোমনা থানার ওসি রসুল আহমেদ নিজামী যুগান্তরকে বলেন, নিজ স্কুলের ছাত্রদের হাতেই জাহিদ খুন হয়েছে। তবে ওই খুনের নেপথ্যে মুক্তিপণ ছাড়াও অন্য কোনো বিষয় আছে কিনা তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য বৃহস্পতিবার সকালে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

Share





Related News

Comments are Closed