Main Menu

ফোনে প্রেমের ফাঁদ, কলেজছাত্রীকে ৫ বন্ধু মিলে ধর্ষণ

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: কুড়িগ্রামের রাজীবপুর ডিগ্রি কলেজের ডিগ্রি প্রথম বর্ষের এক ছাত্রীকে বাসায় আটকে রেখে ৫ বন্ধু মিলে গণধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে প্রথমে রাজীবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে অবস্থার অবনতি ঘটলে জামালপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

ধর্ষণের শিকার ওই কলেজছাত্রীর বাড়ি জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ডাংধরা গ্রামে।

এ ঘটনায় কলেজছাত্রীর চাচা রবিউল ইসলাম বাদী হয়ে রাজীবপুর থানায় ৬ জনকে আসামি করে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। পুলিশ মামলার ৪নং আসামি আলামিনকে গ্রেফতার করেছে।

জানা গেছে, রাজীবপুর উপজেলার কাচারি পাড়া গ্রামের মাহবুবুর রহমানের ছেলে খোরশেদ আলী ওই কলেজ ছাত্রীর সঙ্গে মোবাইলে প্রেমের ফাঁদ তৈরি করে। এ সম্পর্কের সূত্র ধরে ৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বিকালে উপজেলার কাচারি পাড়া গ্রামের একটি বাড়িতে ওই ছাত্রীকে ডেকে আনে খোরশেদ আলী। এরপর পরিকল্পিতভাবে তার বন্ধু একই গ্রামের আরিফুল ইসলামের বাড়িতে নিয়ে যায়।

ওই বাড়ির একটি কক্ষে খোরশেদ আলী ও তার ৫ বন্ধু মিলে মেয়েটির মুখে কাপড় বেঁধে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের এক পর্যায়ে মেয়েটি অচেতন হয়ে তার রক্তক্ষরণ শুরু হলে খোরশেদ আলীর দুই বন্ধু আলামিন ও আরিফুল ইসলাম কলেজ ছাত্রীকে রাজীবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে রেখে পালিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে রাজিবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পৃথ্বীশ কুমার সরকার বলেন, আমরা কলেজ ছাত্রীর চাচার দায়ের করা অপহরণ ও ধর্ষণ মামলার অভিযোগ পেয়ে মামলার ৬ আসামির মধ্যে আলামিনকে গ্রেফতার করেছি। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

Share





Related News

Comments are Closed