Main Menu

জলঢাকার ইউএনও নীলফামারী জেলায় শ্রেষ্ঠ

ময়নুল হক, নীলফামারী প্রতিনিধি: জলঢাকা উপজেলার ইউএনও নীলফামারী জেলায় শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিস সুত্রে জানা যায়, জাতীয প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতায ও শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য নীলফামারী জেলা প্রশাসক খালীদ রাহীম জলঢাকা উপজেলার ইউএনও মুহাম্মদ রাসেদুল হক প্রধান কে, জেলার শ্রেষ্ঠ ইউএনও হিসাবে ঘোষণা করেন। নীলফামারী জেলায় মোট ৬টি উপজেলা রয়েছে। এরমধ্যে জলঢাকা উপজেলায় গত এক বছর আগে মুহা. রাশেদুল হক প্রধান ইউএনও হিসাবে যোগদানের পর, পাল্টে গেছে গোটা উপজেলার চিত্র। উপজেলার প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন ও শিক্ষকদের ১০০% উপস্থিতি নিশ্চিত করেছেন তিনি। এরজন্য কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে তাকে। বিদ্যালয়ে আনন্দঘন পরিবেশে শিশুদের পাঠদান নিশ্চিত করতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্লাশ নিয়েছেন তিনি। উপজেলার বেশ কিছু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি, ভুমি দস্যুদের দখলে ছিলো। সেই জমিগুলো উদ্ধার করে স্বস্ব প্রতিষ্ঠানকে ফিরিয়ে দিয়েছেন তিনি। জলঢাকা উপজেলায় কোন বিনোদন পার্ক না থাকায়, উপজেলা ক্যাম্পাসকেই তিনি পার্ক হিসাবে রুপ দিয়ছেন। যেমন প্রতিটি অফিসের সামনে ফুল বাগান, বিভিন্ন ভাবে সাজানো সিমেন্টর তৈরি বসার স্থান, পুকুরে নৌকা, শিল্পকলা একাডেমি, বিভিন্ন ধরনের সবুজ ঘাস লাগানোসহ (গ্রিন গোল্ড) হিসাবে পরিচিতি পেয়েছে ক্যম্পাসটি। প্রতিদিন অফিস সময়ের পরে, বাহীর থেকে অনেকে আসে, উপজেলা চত্তরটি দখতে। এই ইউএনও যোগদানের পরে, জলঢাকায় জুয়া খেলা বন্ধ হয়েছে, বর্তমান জুয়ারু, মাদক বিক্রেতা ও মাদক সেবন কারিদের যম হিসাবে পরিচিত ইউএনও। এসব অবৈধ কর্মকান্ড বন্ধ করতে রেকর্ড পরিমান ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেছেন তিনি। এতে বন্ধ হয়েছে অবৈধ কর্মকান্ড, বেড়েছে সরকারি রাজস্ব। এছাড়াও ৫০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে জলঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার আধুনিকায়ন ও বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন তিনি।
এ বিষয়ে জলঢাকা উপজেলার ইউএনও মুহাম্মাদ রাশেদুল হক প্রধান বলেন, সরকার আমাকে কাজ করার জন্য ইউএনও হিসাবে দায়িত্ব দিয়েছে, আমি দায়িত্ব পালন করছি। আমার কাজের ভালো মন্দ দেখছেন আমার উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ ও এই উপজেলার জনগণ। এতে আমার খুশি হবার কিছুই নাই।

Share





Related News

Comments are Closed