Main Menu

কোম্পানীগঞ্জে ১মাস পর কবর থেকে লাশ উত্তোলন

বিশেষ সংবাদদাতা : সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে হত্যাকান্ডের ১মাস পর কবর থেকে এক যুবকের লাশ উত্তোলন করা হয়েছে। নিহত আমিনুল ইসলাম ওরফে সমশের আলী (২৪) লাশ সোমবার (১০জুলাই) বিকেল ৪টায় উপড়েলার পাড়–য়া নোয়াগাঁওয়ের পারিবারিক গোরস্থান থেকে উত্তোলন করা হয়।
সিলেট জেলা কালেক্টরেট’র নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট জিয়াউল ইসলাম চৌধুরীর উপস্থিতিতে লাশ উত্তোলন করেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ইনসপেক্টর (তদন্ত) প্রদীপ দাস, হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই পরিতোষ চক্রবর্তীসহ একদল পুলিশ। জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল বাছির, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক, ইউপি মেম্বার দুলাল মিয়া, এলাকার বিশিষ্ট মুরব্বি নজমুল সলাম ও নিহতের পরিবারের লোকজন। এ সময় এলাকার বিপুল সংখ্যক উৎসুক জনতা ভীড় জমান। লাশ উত্তোলন করে পুনঃ ময়না তদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ মর্গে প্রেরন করা হয়েছে।
কোম্পানীগঞ্জ থানার পাড়–য়া নোয়া গাঁওয়ের আবুল মালিকের পুত্র আমিনুল ইসলাম ওরফে সমশের আলী (২৪) গত ১০ জুন রাতের আঁধারে খুন হন। নারী ও বিয়ে ঘটিত বিরোধের জের ধরে তাকে হত্যা করে লাশ অর্ধ ঝুলন্ত অবস্থায় গ্রামের কবরস্থানের গাছের ডালে বেঁধে রাখা হয়েছিল। কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি আলতাফ হোসেন হত্যা মামলা নেয়ার কথা বলে সাদাকাগজে তার পিতার দস্তখত নিয়ে পরে একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু করেছিলেন। থানা পুলিশের এ মামলা চ্যালেঞ্জ করে নিহতের স্বজনরা সিলেটের জুডিশিয়াল আমলী ৭নং আদালতে একটি নালিশা হত্যা মামলা করেন। আদালতের আদেশে ঘটনার ১২দিন পর গত ২২ জুন এ ঘটনায় কোম্পানীগঞ্জ থানায় হত্যামামলা {নং-২৪(৬)১৭}রুজু করা হয়। পাশাপাশি নিহতের পুনঃ ময়না তদন্তের জন্য কবর থেকে লাশ উত্তোলনের আদেশ দেন আদালত। আদালতের আদেশে সিলেট কালেক্টরেট’র নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট জিয়াউল ইসলাম চৌধুরীর উপস্থিতিতে সোমবার (১০ জুলাই) বিকেলে আমিনুল-এর লাশ কবর থেকে উত্তোলন করেন। পুনরায় সুরতহার রিপোর্ট ও ময়না তদন্ত করে আবার দাফন করা হবে বলে জানা গেছে।
সিলেট জেলা কালেক্টরেট-এর নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট জিয়াউল ইসলাম চৌধুরী লাশ উত্তোলনের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

 

Share





Related News

Comments are Closed