Main Menu

জগন্নাথপুরে নদী ভাঙনের কবলে সড়ক

জগন্নাথপুর প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর-বেগমপুর সড়কের জগন্নাথপুর পৌর শহরের হবিবনগর গ্রাম এলাকা নদী ভাঙনের কবলে পড়েছে। পূর্বের মূল সড়ক অনেক আগেই নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। বর্তমানে সড়কের পাশ দিয়ে ঘুরিয়ে যাওয়া সড়কটিও নলজুর নদীর উত্তাল ঢেউয়ে প্রতিনিয়ত ভেঙে যাচ্ছে। সড়কটি হুমকির মুখে রয়েছে। যে কোন সময় সড়কটি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা বিরাজ করছে। সড়কটি টিকিয়ে রাখতে প্রাণপন চেষ্টা করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। এ সড়ক দিয়ে উপজেলার দক্ষিণাঞ্চলের লক্ষাধিক সাধারণ মানুষ চলাচল করে থাকেন। এছাড়া সড়কের ভাঙন এলাকার পাশে নদী পারে ৬টি অটো রাইস মিলসহ অসংখ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এ সড়কটি বিলিন হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করতে বার বার ব্যবসায়ীরা এগিয়ে আসছেন। প্রতি বছর মিল ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে সড়কে মেরামত কাজ করা হয়। এবারো সড়কের ভাঙন এলাকায় বাঁশের আড় তৈরি করে ইটের কংক্রিট ও বালু ভর্তি বস্তা ফেলে মেরামত কাজ করা হয়েছে। এতে প্রায় দেড় লক্ষাধিক টাকা ব্যয হয়েছে বলে মিল ব্যবসায়ীদের পক্ষে আমির আলী জানান। যদিও ব্যবসায়ীদের সব ধরণের সহযোগিতা করেছেন জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ।
এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) রফিকুল ইসলাম বলেন, সড়কের ভাঙন এলাকা পৌর শহরের মধ্যে থাকায় আমরা কাজ করতে পারিনা। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, কাজ করবে পৌরসভা।
এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব আবদুল মনাফ বলেন, এতো বড় নদী ভাঙনের কাজ পৌরসভার পক্ষে করা সম্ভব নয়। এ কাজ করতে হবে এমপির বরাদ্দ থেকে। তবে একে অন্যের উপর দায় চাপালেও কেউ কোন কাজ করছেন না। কাজ করছেন ব্যবসায়ী নেতারা।
এদিকে, এ জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটি বিলিন হয়ে গেলে জগন্নাথপুর উপজেলা সদরের সাথে সরাসরি উপজেলার পাইলগাঁও এবং রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের একাংশের গ্রামবাসীর যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। তাই দ্রত সড়কটি মেরামত করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
শুক্রবার সরেজমিনে দেখা যায়, নদী ভাঙনের কবলে থাকা সড়কে ইটের কংক্রিট ফেলে ব্যক্তি উদ্যোগে স্থানীয় অটোমিল ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে মেরামত কাজ করা হচ্ছে। যা সরকারের পক্ষ থেকে অনেক আগেই করার কথা ছিল। এ সময় স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জনপ্রতিনিধিসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বারবার জানালেও এখন পর্যন্ত কোন কাজ করা হয়নি।

Share





Related News

Comments are Closed