Main Menu

ডিমের হালি ১২ টাকা!

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: ডিমের হালি মাত্র ১২ টাকা। অবিশ্বাস্য মনে হলেও এটিই সত্যি। রাজশাহীর বাঘা উপজেলার মুরগি খামারে প্রতি হালি ডিম বিক্রি হচ্ছে এ দামেই।

শুধু ডিম নয়, এসব খামারে মুরগিও মিলছে বাজার মূল্যের চেয়ে কম দরে। আর খুচরা পর্যায়ে বিভিন্ন স্থানে প্রতি হালি ডিম বিক্রি হচ্ছে ২৮ টাকা হালি। আর মুরগির দাম প্রতি কেজি ১৪০ টাকা। লেয়ার ১৯০ টাকা।

এ দামে ডিম ও মুরগি বিক্রিতে সবচেয়ে বেশি লাভবান হচ্ছে খামার সংলগ্ন আশপাশের লোকজন এবং পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা। ভোক্তাদের কাছে বিক্রির কথা থাকলেও খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতারা ডিম ও মুরগি কম দামে কিনে বেশি দামে বাইরে বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

প্রাণী সম্পদ বিভাগের দেয়া তথ্যমতে গত বছর উপজেলার ৪৮টি পোলট্রি ফার্মে ডিম উৎপন্ন হয়েছিল- ২ লাখ ৪৩ হাজার। যা জনসংখ্যার চাহিদার তুলনায় ৫১ হাজার বেশি ডিম উৎপন্ন হয়েছিল। এসব ফার্মে প্রতি হালি ডিম ১২ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। মুরগিও বিক্রি হচ্ছে খুচরা বাজারের চেয়ে প্রতি কেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকা কম দরে।

অন্যদিকে মাসের পর মাস কম দামে ডিম বিক্রি করায় বছরে কোটি টাকার লোকসান গুনছে উপজেলার ৪৮টি পোলট্রি (মুরগি) খামার। উৎপাদনের সঙ্গে বিক্রয় মূল্যের বিরাট ফারাকের কারণে লোকসানের পাল্লা দিন দিন ভারি হচ্ছে। খামারগুলো টিকিয়ে রাখতে সরকারিভাবে চাহিদা মতো বাজেটও দিতে পারছে না।

পোলট্রি ফার্মের মালিক সানোয়ার হোসেন জানান, বেশি দামে মুরগির খাবার ক্রয়, উৎপাদন হ্রাস, শীতের সময় বাচ্চা বিক্রি শূন্যের কোঠায় নেমে যাওয়া, হাঁস-মুরগি প্রতিপালনে প্রয়োজনের অতিরিক্ত জনবলের কারণেও লোকসান বেড়েছে। একটি ডিম উৎপাদনে খরচ হয় ৫ টাকার উপরে।

উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা আব্দুল কাদের জানান, সরকারি খামারে বছরজুড়ে একই দর নির্ধারিত থাকে। বেসরকারি খামারে ওঠা-নামা করে। বাজারে ডিমের দাম কম থাকলেও ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কারণে ক্রেতা সাধারন সেই দামে কিনতে পারছেন না। এতে খুচরা বিক্রেতারা লাভবান হলেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন পোলট্রি খামারির মালিকরা।

 

Share





Related News

Comments are Closed