Main Menu

বিশ্বনাথে বাসিয়া তীরের ১৮৭টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে নোটিশ

Manual5 Ad Code

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি : অবশেষে বহু জল্পনা-কল্পনা ও ধারাবাহিক আন্দোলনের পর দখল আর দুষণে মরা খালে পরিনত সিলেটের বিশ্বনাথের বাসিয়া নদীর দুই তীরে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদের সিন্ধান্ত গ্রহন করেছে প্রশাসন। ২১ মে রোববার নদীর তীরে গড়ে উঠা ১৮৭ জন দোকান মালিকদের কাছে নোটিশ প্রদান করা হয়েছে।
নোটিশ প্রাপ্তির ১৫দিনের মধ্যে সেচ্ছায় তাদের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে নোটিশে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। বেধে দেওয়া সময়ের মধ্যে উচ্ছেদ না হলে অবৈধভাবে নির্মিত গৃহাদি ভেঙে অপসারণক্রমে বর্ণিত ভূমি খাস দখল করে সরকারি অথবা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বাজেয়াপ্ত করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ রয়েছে। এমন খবরে দখলদারদের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে।
জানা গেছে, গত বছরের ২৫ শে আগষ্ট সিলেট জেলা প্রশাসক বরাবর খনন কাজে অবৈধ স্থাপনা বাঁধা হয়ে দাড়াবে উল্লেখ করে একটি আবেদন করেন সিলেটের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিবার্হী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম। এ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে ১৮৭জন অবৈধ দখলদারের তালিকা তৈরি করে উপজেলা প্রশাসন। তালিকা তৈরি করার পর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি উচ্ছেদ মামলা দায়ের করা হয়। মামলা নং ৪/২০১৭। গত ৯ ফেব্রুয়ারী উপজেলার আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় বিষয়টি উপস্থাপন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমিতাভ পরাগ তালুকদার। পরে মামলাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে প্রেরণ করা হয়। গত ১৯ এপ্রিল জেলা প্রশাসক কার্যালয় (রাজস্ব শাখা) থেকে ১৮৭ জন অবৈধ দখলদারের বিরুদ্ধে চুড়ান্ত নোটিশ প্রদানের সিন্ধান্ত গৃহিত হয়।
এব্যাপারে বাঁচাও বাসিয়া নদী ঐক্য পরিষদের আহবায়ক ফজল খান বলেন, অবৈধ স্থাপনা যতদিন পর্যন্ত উচ্ছেদ করা হবেনা ততদিন পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে। তবে আশা করি এবার নদীর তীরে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ হবে।
উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) আবদুল হক বলেন, বাসিয়া নদীর দুই তীরের অবৈধভাবে দখলকৃত মালিকদের কাছে রোববার থেকে নোটিশ প্রেরণ শুরু হয়েছে। তবে আগামী দুই দিনের মধ্যে ১৮৭জন অবৈধ দখলদারের কাছে নোটিশ পৌছে যাবে বলে তিনি জানান। নোটিশে ১৫দিনের মধ্যে সেচ্ছায় দখল মুক্ত করার নির্দেশ রয়েছে।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code