Main Menu

শাবি ছাত্রলীগের সভাপতি সহ তিন জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

Manual7 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এক স্কুল ছাত্রীর শ্লীলতাহানির মামলায় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সঞ্জীবন চক্রবর্তী পার্থ সহ তিন ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।
পার্থ পরিসংখ্যান বিভাগের অনিয়মিত ছাত্র এবং শাখা ছাত্রলীগের স্থগিত কমিটির সভাপতি। পরোয়ানার অপর দুই আসামিরা হলেন, পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী ছাত্রলীগকর্মী এস এন সাজ্জাদ রিয়াদ ও সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী ছাত্রলীগকর্মী মাহমুদুল হক রুদ্র।
রোববার সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহিতুল হক চৌধুরীর আদালাত এ আদেশ দেন বলে জানান আদালতের রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী আব্দুল মালেক।
একইসঙ্গে মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল থেকে শিশু আদালতে স্থানান্তর করা হয়েছে।
আব্দুল মালেক বলেন, আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিযেছে। পাশাপাশি ভিকটিমের বয়স ১৬ বছর এবং শিশু হওয়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ১০ ও ৩০ ধারায় মামলাটি আমলে নিয়ে বিচারের জন্য শিশু আদালতে স্থানান্তরের নির্দেশ দেয়।
বাদীপক্ষের আইনজীবী মশরুর চৌধুরী শওকত বলেন, রিয়াদ ও রুদ্রের বিরুদ্ধে ১০ ধারায় এবং পার্থের বিরুদ্ধে ৩০ ধারায় অভিযোগ আমলে নিয়েছে আদালাত।
তিনি বলেন, গত ৮ এপ্রিল বিকালে পাঠানটুলা দ্বিপাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষা দেওয়া ওই ছাত্রী তার ফুফাত ভাইয়ের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে বেড়াতে যান। এসময় শহীদ মিনার এলাকায় কয়েকজন ছাত্রলীগকর্মী তাকে উত্ত্যক্ত করার পাশাপাশি শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই সাংবাদিক এর প্রতিবাদ করলে তাদের ওপর হামলা চালান বিবাদীরা। হামলায় আহত হন বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি সৈয়দ নবিউল আলম দিপু ও সাধারণ সম্পাদক সরদার আব্বাস আলী।
মামলাটির আদালাত পরিবর্তন হওয়ায় এখনও পরবর্তী শুনানির তারিখ জানা যায়নি বলে জানান মশরুর চৌধুরী।
জানা যায়, ৮ এপ্রিল ঘটনার পরে ১২ এপ্রিল ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের তিনজনের নাম উল্লেখসহ ৭/৮ জনকে আসামি করে আদালতে মামলা করেন। আদালতের বিচারক মোহিতুল হক মামলা আমলে নিয়ে এ বিষয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন।
গত ৪ মে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন তদন্ত দলের প্রধান সিনিয়র সহকারী জজ তাসলিমা শারমিন। ঘটনায় সঞ্জীবন চক্রবর্তী পার্থ, সাজ্জাদ রিয়াদ ও মাহমুদুল হক রুদ্রের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অধ্যাপক জহির বিন আলমকে প্রধান করে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করে এবং দুই সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করা হয়।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code