Main Menu

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা

Manual5 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস মানহানি, ভয়ভীতি দেখানো ও অবমাননার মামলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপির) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেছে আদালত।

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান শাহাদাতের আদালত রোববার (৮ মার্চ) এ আদেশ দেন।

Manual8 Ad Code

এর আগে এদিন বিএনপির রমনা থানার সভাপতি আশরাফুল ইসলাম নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর নামে আদালতে মামলার আবেদন করেন।

Manual4 Ad Code

বাদীপক্ষের আইনজীবী আমিরুল ইসলাম (আমীর) বলেন, আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে আসামিকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেছে।

মামলায় আবেদনে বলা হয়, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি নিয়ে মির্জা আব্বাসের সঙ্গে বিপুল ভোটে হেরে যায়। নির্বাচনের সময় এ আসামি বিভন্ন সময়ে মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্য দেন। কেবল তাই নয় নির্বাচনে বিপুল ভোটে হেরে যাওয়ার পর আরও বেশি করে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এবং বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকার মাধ্যমে মিথ্যা মানহানিকর বক্তব্য ও বিভিন্ন হুমকি প্রদান করছে।

সর্বশেষ ৫ মার্চ ফেসবুকে আশরাফুল ইসলাম দেখতে পান, পাটয়ারী মির্জা আব্বাসকে নিয়ে বিভিন্ন মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছেন। বক্তব্যগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুক ও ইউটিউবে ভাইরাল করে দিয়ে মির্জা আব্বাসের মান সম্মান ক্ষুন্ন করেছে। মির্জা আব্বাসের এর সুনাম ও রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে কালিমা লেপনের জন্য নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী উদ্দেশ্যে প্রণোদিতভাবে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে একের পর এক মিথ্যা বানোয়াট বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন, যা সকল প্রকার শিষ্টাচার সভ্যতার রীতিনীতি বহির্ভূত এবং মানহানিকর।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে মির্জা আব্বাস এবং পাটওয়ারী ঢাকা-৮ আসন থেকে মনোনয়ন পান। বহুল আলোচিত এ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী নাসীরউদ্দীন পাটওয়ারীর তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়েন বিএনপির মির্জা আব্বাস।

Manual3 Ad Code

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্বাস ৪৯৮০ ভোটে জয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৫৫২ ভোট। আর পাটওয়ারী পেয়েছেন ৫১ হাজার ৫৭২ ভোট।

Manual5 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code