Main Menu

বিশ্বনাথে ফেইস বুকে বিতর্কিত ছবি পোস্ট, গ্রেফতার ১

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি: সিলেটের বিশ্বনাথে ‘পূজা শেষে বিসর্জনকৃত শ্যামাকালী’র প্রতিমায় পা দিয়ে ছবি তুলে আবার তা ফেইস বুকে পোস্ট করার ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার খাজাঞ্চী ইউনিয়নের মদনপুর দূর্গা মন্দির প্রাঙ্গন এলাকায় বুধবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটে। এতে সনাতন (হিন্দু) ধর্মালম্বীদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগ উঠে।
আর সনাতন (হিন্দু) ধর্মালম্বীদের ধর্মীয় অনুভ‚তিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগে উপজেলার চন্দ্রগ্রাম গ্রামের বিজয় ভ‚ষণ নাথ’র পুত্র সুমন নাথ বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং ৩ (তাং ০৪.০৫.১৭ইং)।
মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে উপজেলার কুমারপাড়া গ্রামের মৃত আজিজুর রহমান ওরফে গেদু মিয়ার পুত্র আকিবুর রহমান ওরফে আকুল (২৩), মৃত ফিরোজ খানের পুত্র ফয়সল আহমদ (২২), মৃত তসিল খানের পুত্র জুবেল খান (২১)। অভিযুক্তদের মধ্যে ফয়সল আহমদ’কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বাদী তার লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেছেন, প্রায়ই অভিযুক্তরা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজনের সাথে খারাপ আচরণ ও গালিগালাজ করে আসছে। এলাকার সাধারণ মানুষও তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ। বুধবার সন্ধ্যায় প্রধান অভিযুক্ত আকিবুর রহমান ওরফে আকুল তার সহযোগীদের নিয়ে মদনপুর দূর্গা মন্দির প্রাঙ্গন এলাকায় থাকা ‘পূজা শেষে বিসর্জনকৃত শ্যামাকালী’র প্রতিমায় পা দিয়ে ছবি তুলে তা নিজের ফেইস বুক আইডিতে পোস্ট করে। যা সনাতন (হিন্দু) ধর্মালম্বীদের ধর্মীয় অনুভ‚তিতে আঘাত করেছে।
এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের ও অভিযুক্ত ফয়সল আহমদ’কে গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করেন বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) মনিরুল ইসলাম পিপিএম।
এদিকে সনাতন (হিন্দু) ধর্মালম্বীদের ধর্মীয় অনুভ‚তিতে আঘাত দেওয়ার প্রতিবাদে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। ঘটনার সাথে জড়িত সবাইকে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার দাবিও করেছেন নেতৃবৃন্দ। নিন্দা প্রকাশকারীরা হলেন- উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি মানিক লাল দে, সাধারণ সম্পাদক সমরেন্দ্র বৈদ্য সমর, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অজিত পাল, সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত আচার্য্য, উপজেলা ছাত্র-যুব øক্য পরিষদের সভাপতি কানু রঞ্জন দে, সাধারণ সম্পাদক গোবিন্দ মালাকার প্রমুখ।

Share





Related News

Comments are Closed