Main Menu

সুরমায় পরিবেশ বিধ্বংসী বালু উত্তোলন : প্রতিবাদ ও ক্ষোভ

বিশেষ প্রতিনিধি: সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার সুরমা নদীর নিজ দলইকান্দি এলাকায় চলছে অবাঁধে বালু উত্তোলন। এলাকাবাসীর প্রতিবাদ উপেক্ষা করে সিলেটের দক্ষিণ সুরমার জনৈক মশহুদ আহমদের লোকজন বালু উত্তোলন করে চলেছেন। সুরমা নদীর নিজ দলইকান্দি বালু মহাল ইজারার বিরুদ্ধে আদালতে এলাকাবাসীর রিট (২৮৫৭/২০১৬ ) রয়েছে। রিটের প্রেক্ষিতে গত বছরের (২০১৬ সালের) ১৪ মার্চ ওই বালুমহাল ইজারা প্রদান ও বালু উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন মহামান্য হাইকোর্ট। সম্প্রতি রিটের আদেশ এক্সেটেনশনের জন্য আবার আবেদন করা হলে আবেদন গৃহীত মর্মে শুনানীর অপেক্ষায় রয়েছে। বিষয়টি সিলেটের জেলা প্রশাসনকে অবহিত করে এলাকাবাসী গত ২৪ এপ্রিল স্মারকরিপি প্রদানপূর্বক তা সরকারের বিভিন্ন দায়িত্বশীল মহলকে অবহিত করেন। তা সত্বেও জেলা প্রশাসন একপত্রে জনৈক মশহুদ আহমদকে কিভাবে নিজ দলইকান্দি এলাকায় পরিবেশ বিধ্বংসী বালু উত্তেকালনের অনুমতি দেয় তা এলাকাবাসীর বোধগম্য নয়।
অভিযোগে প্রকাশ জেলা বালুমহাল ইজারা ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সচিব ও জেলা রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টরেট বিজেন ব্যানার্জীসহ সংশ্লিষ্টরা সুরমা নদীর নিজ দলইকান্দি বালুমহালে বালু উত্তোলনের অনুমতি দিয়েছেন। এতে করে এলাকার সরকারী বেসরকারী এবং ঐতিহাসিক বহু স্থাপনা হুমকির মূখে রয়েছে। বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকলে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গাছবাড়ি বাজার, স্কুল মাদ্রাসা মসজিদসহ পাউবোর বন্যা নিয়ন্ত্রন বাধ। ভেস্তে যেতে পারে হাজার হাজার হেক্টর কৃষিভূমি। বাস্তুহারা হতে পারে হাজার হাজার পরিবার। তাই এলাকাবাসী বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে সোচ্চার। তারা যেকোন সময় ক্ষোভে ফেটে পড়তে পারেন। ঘোষনা করতে পারেন কঠোর কর্মসূচী। এতে করে অবনতি ঘটতে পারে আইনশৃংখলার। তাই স্থানীয় প্রশাসনকে এ ব্যাপারে সুূিচন্তিত পদক্ষেপ নিতে এলাকাবাসী আহ্বান জানিয়েছেন।

Share





Related News

Comments are Closed