Main Menu

সুনামগঞ্জের হাওরে অ্যামোনিয়া গ্যাসে মাছের মৃত্যু : ঢাবি প্রতিনিধি দল

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে হাওরাঞ্চলের কাঁচা বোরো ফসল পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ার পর সাম্প্রতিক হাওরগুলোতে মাছের মড়ক দেখা দেয়। এই সমস্যার কারণ খুঁজতে সুনামগঞ্জের বিভিন্ন হাওর পরিদর্শন ও নমুনা সংগ্রহ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের একটি প্রতিনিধি দল।

প্রাথমিকভাবে তারা জানিয়েছেন, পানিতে অ্যামোনিয়া গ্যাসে মাছের মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার দিনব্যাপী তারা সদর উপজেলার দেখার হাওর, টাংগুয়ার হাওর ও মাটিয়ান হাওর পরিদর্শন করেন। বিকেলে সুনামগঞ্জ সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মনিরুজ্জামান খন্দকার জানান, হাওর ঘুরে আমরা বুঝতে পেরেছি, হাওরে পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে গেছে এবং এ্যামোনিয়া গ্যাসের কারণে মাছ মারা যাচ্ছে। এখন হাওর অঞ্চলের জন্য বৃষ্টি খুব দরকার। যত বেশি বৃষ্টি হবে পানিতে এ্যামোনিয়ার গ্যাসের পরিমাণ তত কমবে এবং হাওরের অবস্থা স্বাভাবিক হয়ে যাবে। তিনি এও জানান, টাংগুয়ার হাওর এখন পর্যন্ত সুরক্ষিত রয়েছে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এই অঞ্চলে এ বছর আগাম বন্যা হয়েছে। তবে এই রকম এতো দ্রুত মড়ক হয় আমার জানা ছিল না।
তিনি আরো বলেন, যে হাওর গুলোতে মাছ মড়ক দেখা দিয়েছে-সেই হাওরগুলোর মাছ খাওয়া থেকে বিরত থাকা ভাল। বাতাসে যে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে সেটি কিছু দিনের মধ্যে কমে যাবে। এই দুর্গন্ধ মূলত ধান পঁচার গন্ধ। এগুলো যদি মাটি চাপা দেয়া যেত-তাহলে আর দুর্গন্ধ ছড়াত না।
প্রতিনিধি দলের অন্যতম সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো.আজমল হোসেন ভূইয়াও একই অভিমত ব্যক্ত করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্স থিসিসের ছাত্র স্বাধীন কাওসার, শাহরিয়ার ইসলাম, রাসিকুল ইসলাম রাসেল।
ঢাবি প্রতিনিধি দলের দলনেতা আরো জানান, অধিকতর পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য হাওরের পানির নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পরীক্ষার পর এ ব্যাপারে বিস্তারিত বলা যাবে।

Share





Related News

Comments are Closed