Main Menu

কোম্পানীগঞ্জের ধলাই তীরে চলছে পাথর-খেকোদের মহোৎসব

কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি : সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ, নতুনবাজার, কালাইরাগ, ধলাই সেতু ও রোপওয়ে এলাকার পর পাথর খেকোদের টার্গেট এবার ধলাই নদী-তীরবর্তী ইসলামগঞ্জ বাজার।
কোম্পানীগঞ্জে উপজেলা প্রশাসন ও টাস্কফোর্সের নিয়মিত অভিযানের পরও থামানো যাচ্ছে না বোমা মেশিনের ব্যবহার।
গত দুই সপ্তাহ ধরে ইসলামগঞ্জ বাজারের তীর ঘেঁষে অন্ততঃ ৩০টি বোমা মেশিন দিয়ে নিয়মিত পাথর উত্তোলন চলছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এ নিয়ে উদ্বিগ্ন বাজার সংশ্লিষ্ট ও নদী তীরের মানুষ। নদী তীর ঘেঁষে গভীর গর্ত সৃষ্টির কারণে বর্ষায় তীব্র ভাঙন দেখা দেবে। এ অবস্থায় নদী ও বাজার রক্ষায় বোমা চক্রের সদস্যদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী ও সচেতন মহল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত দুই সপ্তাহ ধরে পূর্ব ইসলামপুর ইউনিয়নের ইসলামগঞ্জ বাজারের পশ্চিমে প্রবাহমান ধলাই নদীর তীর ঘেঁষে অন্ততঃ ৩০টি বোমা মেশিন দিয়ে চলছে পাথর উত্তোলন।
বৃহস্পতিবার সরেজমিন গিয়ে সেখানে ৩৪টি মেশিন চলতে দেখা গেছে। বোমা মেশিনের ব্যবহারে নদীর প্রশস্ততা বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি নদী-তীরে তৈরি হচ্ছে বড় বড় গর্ত। এতে করে পরিবেশের উপর মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। নদীর স্বাভাবিক গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে তীব্র ভাঙনের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।
সরেজমিনে সেসব গর্ত দেখার সময় এলাকাবাসী আগামী বর্ষা মৌসুমে এসব গর্ত থেকে নদীভাঙন তীব্র হওয়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। পূর্ব ইসলামপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ বাবুল মিয়া বলেন, নদী-তীর ঘেঁষে এমন গর্ত গভীর হলে বর্ষায় শুধু তীব্র ভাঙন নয়, নদীর বাঁক পরিবর্তন হওয়ারও আশঙ্কা রয়েছে। তাই অবৈধ পাথর উত্তোলন বন্ধে সংশ্লিষ্টদের প্রতি দাবি জানান তিনি।
এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবুল লাইছ বলেন, পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর বোমা মেশিন বন্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। অভিযানে যে ক’টি মেশিন পাওয়া যায়, সেগুলো আগুনে কিংবা হাতুড়ি দিয়ে ধ্বংস করে দেয়া হচ্ছে। তারপরও রাতের আঁধারে একটি চক্র মেশিনের ব্যবহার অব্যাহত রেখেছে। ইসলামগঞ্জ বাজার এলাকায় বসানো বোমা মেশিন বন্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

Share





Related News

Comments are Closed