Main Menu

ওসমানীনগরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫০

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেটের ওসমানীনগরে নির্বাচনী বিরোধকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে সাইফুল ইসলাম(১৭) নামের এক কিশোর গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছে। নিহত সাইফুল জগন্নাথপুর উপজেলার উত্তর কালনীচর গ্রামের মৃত শরফ উদ্দিনের ছেলে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরো অন্তত অর্ধশতাধিক লোক।
নির্বাচনী বিরোধকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ ৪ জনকে আটক করেছে।
আজ রোববার দুপুরে উপজেলার সাদীপুর ইউপির বাংলাবাজার হাতানিপাড়ায় এ ঘটনাটি ঘটে। সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রায় অর্ধ শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। তবে তাৎক্ষনিক ভাবে আহতদের নাম ঠিকানা পাওয়া যায়নি। আহতদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও জগন্নাথপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় আ’লীগ(নৌকা সমর্থকরা) সকাল সাড়ে ১১টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনী কথা কাটাকাটির জের ধরে উপজেলার উত্তর কালনীরচর ও দক্ষিণ কালনীরচর গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র ব্যবহার করে। এতে অর্ধ শতাধিক লোক আহত হয়। আহতদের মধ্যে সাইফুলকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে আনার পথে তার মৃত্যু হয়।
ওসমানীনগর থানার ওসি আব্দুল আউয়াল চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দু’পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মিডিয়া অফিসার সুজ্ঞান চাকমা জানান, দুপক্ষের সংঘর্ষের পর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আতাউর রহমান’র লোকজন রাস্তায় ব্যারিকেডের সৃষ্টি করলে বেলা ২টায় ব্যারিকেড প্রত্যাহার হয়। এ ঘটনায় পুলিশ ৪ জনকে আটকের বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করেছেন।
একটি সূত্র জানায়, ওসমানীনগর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আতাউর রহমান এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জগলু চৌধুরীর সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আগামী ৬ মার্চ এ উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে উল্লিখিত দুজন প্রার্থী ছাড়াও বিএনপি’র প্রার্থী হিসাবে মঈনুল হক চৌধুরী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

Share





Related News

Comments are Closed