Main Menu

ঝিনাইদহে শতাধিক পরিবার স্বাবলম্বী শীতের মৌসুমী পিঠা বিক্রিতে

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহে বছর ঘুরে প্রকৃতিতে লেগেছে হিমেল হওয়ার পরশ। উঠেছে নতুন ধান। গ্রাম-বাংলার প্রতিটি বাড়িতেই চলছে আয়োজন করে নানা ধরনের পিঠা-পায়েশ তৈরির ধুম।

ব্যস্ত নাগরিক জীবনে ঘরে ঘরে পিঠা বানানোর সময় মেলা ভার। যেহেতু শীতের পিঠার ভিন্ন স্বাদ এনে দেয় নতুন মাত্রা, সে কারণেই শহরের কিছু হত-দরিদ্র পরিবার এই মৌসুমে পিঠা বিক্রি করে স্বাবলম্বী হচ্ছে। শহরের অলিতে-গলিতে, প্রধান-প্রধান মোড়গুলোতে, বিভিন্ন রাস্তার ধারে, বাসস্ট্যান্ডে, বড়-বড় বিপণী বিতানের সামনে, স্কুল-কলেজের সামনে, অফিস-অদালত চত্বরসহ নানা জায়গায় এক শ্রেণির মানুষ রকমারি স্বাদের পিঠার পসরা সাজিয়ে বেশ জমজমাট ব্যবসা করছে। একদিকে তারা শহরের মানুষের পিঠা খাওয়ার সাধ মেটাচ্ছে তেমনি তারা অর্থনৈতিকভাবেও স্বাবলম্বী হচ্ছে।

কোনো ঝামেলা ও অভিজ্ঞতা ছাড়াই শীতের পিঠা খাওয়ার একমাত্র মাধ্যম হল ভ্রাম্যমাণ পিঠার দোকান। এ সকল দোকানে প্রতিদিন বিকাল থেকে শুরু হয়ে মধ্যরাত পর্যন্ত চলে রমরমা বেচাকেনা।
শহরের পিঠা বিক্রেতা সোহেল রানা বলেন, শীতের পিঠার ব্যবসাটা লাভজনক হওয়ায় বছরের এই সময়টায় তিনি পিঠা ব্যবসা করে থাকেন। এই ব্যবসায় তার ৫ জনের সংসার ভালোভাবেই চলে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, প্রতিদিন বিকালে তিনি দোকান দেন। এখানে তিনি ভাপা পিঠা বা ধুপি পিঠা বিক্রয় করেন। চালের গুড়া, খেজুরের পাটালি, নারিকেল ও লবণের মিশ্রণে তৈরি হয় এ পিঠা।

প্রতিদিন ১৫ কেজি চাউলের গুড়া, ৩/৫ কেজি খেজুরের পাটালি ও ৬টা নারিকেল তিনি ব্যবহার করে থাকেন পিঠা তৈরিতে। প্রতিটি পিঠা ৫ টাকা দরে বিক্রি করা হয়। যা থেকে তার প্রতিদিন লাভ হয় ৪ থেকে ৫শ টাকা। হাকিম মিয়া নামে একজন পিঠা খেতে খেতে বললেন, সব ধরনের ক্রেতা এখানে আসে পিঠা খেতে ও কিনতে। ব্যস্ততার কারণে বাড়িতে পিঠা খাওয়ার সময় হয়ে ওঠে না। তাই এখানে সেই স্বাদ নেয়ার চেষ্টা করছি।

Share





Related News

Comments are Closed