নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন আজ
বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: বহুল আলোচিত নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ আজ বৃহস্পতিবার। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ চলবে। এ নির্বাচনকে ঘিরে নারায়ণগঞ্জবাসীর মধ্যে উৎসবের আমেজের পাশাপাশি উৎকণ্ঠাও বিরাজ করছে।
এদিকে, অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে এই নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ইতোমধ্যেই নির্বাচন কমিশন (ইসি) সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে।
নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনি এলাকায় সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। বহিরাগতদের অবস্থানসহ যানবাহন চলাচলে বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
এদিকে, এ নির্বাচনকে অবাধ ও নিরপেক্ষ অনুষ্ঠান করাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে ইসি। সরকারও এ বিষয়ে তাদের সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নির্বাচনটাকে নিয়েছে তাদের জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের মাপকাঠি হিসেবে।
এদিকে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা আশ্বস্ত করে বলেছেন, সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচনের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। ভোটগ্রহণ ও ভোটারদের নিরাপত্তায় মাঠে রয়েছে সাড়ে ৯ হাজার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য। এ নির্বাচনে কারচুপির চেষ্টা করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। ভোটের আগের দিন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার, রিটার্নিং কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নগরীর বিভিন্ন স্থানে লিফলেট বিতরণ করেছেন। তারা ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছেন। নির্বাচনে সাড়ে নয় হাজার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
রিটার্নিং অফিসার মো. নুরুজ্জামান তালুকদার বলেন, ‘উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় আছে। আমরা আশা করছি, ভোটগ্রহণ শেষ হওয়া পর্যন্ত এ অবস্থা বিরাজ করবে। রাজনৈতিক দলের নেতা, প্রার্থী ও ভোটাররা আমাদের সহযোগিতা করবেন।’ তিনি বলেন, ‘সুষ্ঠু ভোটগ্রহণে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রে-কেন্দ্রে মালামাল পৌঁছে গেছে। কেউ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করলে তাকে ছাড় দেওয়া হবে না।’
এই নির্বাচনে মেয়র পদে সাতজন প্রার্থী হলেও মূল লড়াই হবে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর নৌকা এবং বিএনপি মনোনীত অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানের ধানের শীষ প্রতীকের মধ্যে। জাতীয় পার্টি কোনও প্রার্থী দেয়নি। দলটি ডা. আইভীকে সমর্থন করেছে। এদিকে ২০ দলীয় জোটভুক্ত দু’টি দল প্রার্থী দিলেও শেষ দিকে এসে তারা বিএনপির প্রার্থী সাখাওয়াত হোসেন খানকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির বাইরে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান ইসমাইল (কোদাল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা মো. মাছুম বিল্লাহ (হাতপাখা) ও ইসলামী ঐক্য জোটের মুফতী এজাহরুল হক (মিনার) মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। নির্বাচনের ফল যা-ই হোক না কেন, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দুই দলের প্রার্থীরা ফল মেনে নেওয়ার আগাম ঘোষণা দিয়েছেন। একইসঙ্গে বিএনপি নির্বাচন বর্জন না করার ঘোষণাও দিয়েছে।
নির্বাচনে মেয়র পদ ছাড়াও ৯টি সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদের বিপরীতে ৩৮জন ও ২৭টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৫৬জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মেয়র পদের নির্বাচন দলীয় ভিত্তিতে হলেও ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদের নির্বাচন হচ্ছে নির্দলীয়ভাবে। তবে দুই দলের মনোনীত প্রার্থী রয়েছেন সব ওয়ার্ডেই।
Related News
সাবেক স্পিকার হুমায়ূন রশীদ চৌধুরীর পরিবারের ৫ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা
Manual5 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: কানাডায় পাঠানোর নামে প্রতারণা, ভুয়া ভিসা-পাসপোর্ট তৈরি, অর্থ আত্মসাৎRead More
জাতীয় জনতা পার্টির জাতীয় কার্যকরী কমিটি গঠিত
Manual3 Ad Code বিশেষ সংবাদদাতা: মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক, বঙ্গবীর জেনারেল মহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানীর প্রতিষ্ঠিতRead More



Comments are Closed