চার মামলায় জামিন : যে কোন সময় সিসিক মেয়র আরিফের মুক্তি
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সর্বশেষ সোমবার সুরঞ্জিত সেন গুপ্তের জনসভায় গ্রেনেড হামলার ঘটনায় দায়ের করা বিস্ফোরক মামলা থেকেও জামিন পেলেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র (সাময়িক বরখাস্তকৃত) আরিফুল হক চৌধূরী। এ কারণে মুক্তি পেতে আর কোন বাধা নেই। যেকোনো দিনই তিনি মুক্তি পেতে পারেন।
এর আগে গত রোববার এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলা থেকে আরিফুল হক চৌধূরী জামিন লাভ করেছিলেন।
সোমবার বিস্ফোরক মামলা থেকে সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধূরী ছাড়াও হবিগঞ্জ পৌরসভার (সাময়িক বরখাস্তকৃত) মেয়র জিকে গউছকে ৬ মাসের জামিন দেন হাইকোর্ট।
সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র (সাময়িক বরখাস্তকৃত) আরিফুল হক চৌধুরী নিজের উপর দায়েরকৃত দু’টি হত্যা মামলা ও দু’টি বিস্ফোরক মামলার সবক’টিতেই জামিন পাওয়ায় মুক্তি পেতে তার আর কোন বাধা থাকল না।
এর আগে থেকেই কারান্তরিন আরিফুল হক চৌধুরী গ্রেনেড হামলায় নিহত অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলা ও বিস্ফোরক মামলায় জামিনে আছেন।
পৃথক পৃথক আবেদনের শুনানি নিয়ে সোমবার বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদালতে দুজনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন ও ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেন। সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট এম. মাসুদ রানা, মোস্তাফিজুর রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশিরউল্লাহ।
পরে আইনজীবী মাসুদ রানা সাংবাদিকদের জানান, সবগুলো মামলায় জামিন পাওয়ায় আরিফুল হকের মুক্তিতে আর বাধা নেই। তবে মেয়র গউছের বিরুদ্ধে আরো মামলা থাকায় তিনি আপাতত মুক্তি পাচ্ছেন না।
২০০৪ সালের ২১ জুন দুপুরে সুনামগঞ্জের দিরাই বাজারে একটি সমাবেশে বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। এ সমাবেশে প্রধান অথিতি হিসেবে বক্তব্য রাখছিলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। বোমা হামলায় যুবলীগের একজন কর্মী নিহত হয় ও ২৯ জন আহত হয়।
ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত শেষে ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। সে সময় এসআই হেলাল উদ্দিন বাদী হয়ে দিরাই থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
এদিকে বিগত ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জ সদরের বৈদ্যের বাজারে ঈদপরবর্তী এক জনসভা শেষে বের হওয়ার পথে গ্রেনেড হামলার শিকার হন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া। ঢাকা নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। ওই হামলায় আরও নিহত হন কিবরিয়ার ভাতিজা শাহ মনজুরুল হুদা, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রহিম, আবুল হোসেন ও সিদ্দিক আলী। আহত হন শতাধিক নেতাকর্মী। এ ঘটনায় হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মজিদ খান ওই রাতেই হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা দায়ের করেন।
২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর কিবরিয়া হত্যা মামলায় আত্মসমর্পণ করলে আরিফুল হক চৌধুরীকে কারাগারে পাঠিয়েছিলেন আদালত। এর দুই দিন আগে ২৮ ডিসেম্বর একই মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে গোলাম কিবরিয়া গউছকেও কারাগারে পাঠিয়ে দেন আদালত।
Related News
ড. জাফর ইকবালের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: চব্বিশের জুলাই আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় উসকানির অভিযোগে সাবেক উপাচার্যRead More
মৌলভীবাজারে হত্যা মামলায় ২ ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড, ২ জনের যাবজ্জীবন
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের মুনিয়ারপাড় গ্রামের মো. আজিজুল মিয়া হত্যা মামলারRead More



Comments are Closed