কানাইঘাটে স্বামীর ইনজেকশনে স্ত্রীর মৃত্যু
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের কানাইঘাটে স্বামীর পুশ করা ইনজেকশনে স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে। ডাক্তারের দেয়া ইনজেকশন কিনে এনে নিজেই পুশ করার ফলে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।
সোমবার কানাইঘাট উপজেলার সদর ইউপির নিজ চাউরা উত্তর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত দিলারা বেগম (২৮) চার সন্তানের জননী। এ ঘটনায় তার স্বামী মাওলানা সৈয়দ আহমদকে (৩৫) আটক করেছে পুলিশ।
জানা যায়, উপজেলার সদর ইউপির নিজ চাউরা উত্তর গ্রামের মাওলানা সৈয়দ আহমদ প্রায়ই তার স্ত্রী দিলারাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করত। পূর্বে সে আরো দু’টি বিয়ে করেছে। পারিবারিক বিরোধের জের ধরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়াঝাটি হতো। রোববার দিলারা অসুস্থ হয়ে পড়লে আহমদ তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায়। এসময় ডাক্তার ব্যবস্থাপত্রে ঔষধসহ একটি ইনজেকশন লিখে দেন। তবে আহমদ ইনজেকশন পুশ করার জন্য তার স্ত্রীকে ডাক্তারের কাছে না নিয়ে নিজেই পুশ করে। ইনজেকশন পুশ করার পর দিলারা অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
ইনজেকশন পুশ করার ব্যাপারে সৈয়দ আহমদ জানিয়েছে, মাঝে মধ্যে সে নিজেই ইনজেকশন পুশ করত। এ ব্যাপারে কোন পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।
এদিকে, নিহতের মা জাহিদা বেগম বলেন, দিলারার স্বামী সৈয়দ আহমদ প্রায়ই তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করত। সে ইতোমধ্যে দু’টি বিয়ে করেছে। তিনি ইনজেকশন প্রয়োগ করে দিলারাকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেন।
এ ব্যাপারে থানার কানাইঘাট ওসি হুমায়ুন কবীর বলেন, নিহতের পরিবার জানিয়েছে দিলারা অসুস্থ হলে তার স্বামী আহমদ বরাবরই এভাবে ইনজেকশন কিনে এনে নিজেই পুশ করতো। কিন্তু রোববার ইনজেকশন পুশ করতে গিয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তার স্বামীকে আটক করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
Related News
কোম্পানীগঞ্জে গাছ কেনাবেচা নিয়ে টর্চ জ্বালিয়ে দুই গ্রামের সংঘর্ষ, আহত অন্তত ৪০
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে গাছ কেনাবেচার দেনাপাওনা নিয়ে টর্চলাইট জ্বালিয়ে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যেRead More
বিশ্বনাথে স্ত্রীর মামলায় স্বামী গ্রেফতার
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের বিশ্বনাথে স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় কছির আলী (৩৮) নামে এক ব্যক্তিকেRead More



Comments are Closed