Main Menu

কানাইঘাটে কুমারী মাতার শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু

বিশেষ প্রতিনিধি : সিলেটের কানাইঘাটে কুমারী মাতা মারজানার শিশুপুত্রের রহস্যজনক মৃত্যু ঘটেছে। বৃহস্পতিবার ভোররাতে শিশুটির মৃত্যু ঘটে। সকালে দাফন করার সময় খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ মর্গে প্রেরণ করে। ডিএনএ পরীক্ষার আগেই শিশুটি মারা যাওয়ায় ঘটনা আরো রহস্যাবৃত হয়েছে। এ ঘটনায় কানাইঘাট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে।
জানা গেছে, কানাইঘাট উপজেলার ৩নং দিঘীরপার ইউনিয়নের পশ্চিম দর্পনগরের পূর্ব কোণাগ্রামের এবাদুর রহমানের কুমারী মেয়ে মারজানা বেগম (১৮) গত ২০ অক্টোবর এক ছেলে সন্তান প্রসব করে। ঘটনার পর মারজানার পরিবার ঘটনার জন্য একই বাড়ির প্রবাসী বাবুল আহমদকে দায়ী করেন। পরে মারজানার মা হোসনা বেগম আদালতের মাধ্যমে বাবুল আহমদ, বাবুলের স্ত্রী শিফা বেগমসহ বাবুলের দুই ভাইকে আসামী করে কানাইঘাট থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা {০৮(১১)১৬}করেন। মামলার তদন্তভার থানার ওসি হুমায়ুন কবির নিজ দায়িত্বে নেন। মামলার পর আসামী বাবুল ও তার পরিবার নবজাতকের পিতৃত্ব ও ঘটনার দায়িত্ব অস্বীকার করে। পরে আদালতের আদেশে শিশুটির ডিএনএ পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেয়া হয়। প্রবাসী বাবুলের দেশে থাকা দুই সন্তানের সাথে বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) ওই শিশুর ডিএনএ পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার ভোররাতে কুমারী মাতা মারজানার পিত্রালয়েই শিশুটির রহস্যজনক মৃত্যু ঘটে। সকালে মারজানা পরিবার পুলিশকে না জানিয়েই শিশুটির দাফনের প্রস্তুতি নেয়। খবর পেয়ে কানাইঘাট থানা পুলিশ শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ মর্গে প্রেরন করে। এ ঘটনায় এলাকায় কুমারী মাতা ও তার নবজাতকের পিতৃত্ব এবং মামলা নিয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে । পাশপাপিশ নানা গুঞ্জনেরও সূত্রপাত ঘটে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কানাইঘাট থানার ওসি হুমায়ুন কবির জানান, আদালতের নির্দেশে বৃহস্পতিবার শিশুটির ডিএনএ পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল, এর আগেই শিশুটির রহস্যজনক মৃত্যু ঘটে।
এব্যাপারে মারজানার চাচা দাবিদার আইনজীবি সহকারী মাশুক উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোন বক্তব্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এর আগে মাশুক উদ্দিন নিজেকে মারজানার চাচা দাবি করলেও বৃহস্পতিবার তা বলতে রাজি হননি।

Share





Related News

Comments are Closed