Main Menu

বিশ্বনাথ-রামপাশা সড়কের বেহাল দশা

মোঃ আবুল কাশেম, বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি: সিলেটের বিশ্বনাথ-রামপাশা-লামাকাজী সড়কটি যথা সময়ে সংস্কার কাজ না করায় এখন বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। বিশ্বনাথ থেকে রামপাশা পর্যন্ত সংস্কার কাজ করা হলেও বছর ঘুরতে না ঘুরতেই দশদল এলাকায় ফের সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। ফলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে জনসাধারণকে।
জানা গেছে, বিশ্বনাথ উপজেলার জনগুরুত্বপূর্ণ ‘বিশ্বনাথ-রামপাশা-লামাকাজী’ সড়কটি যথসময়ে সংস্কার কাজ না হওয়ায় সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্তের। ২০১৫ সালে বিশ্বনাথ থেকে ৩ কিলোমিটার রাস্তা সংস্কার কাজ করা হলেও এখনো রয়ে গেছে এই সড়কের প্রায় ১৩ কিলোমিটার সংস্কার কাছের বাকি। সড়কে থাকা গর্তগুলোতে পানি জমে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। গত বছর রশিদপুর থেকে সড়কটির প্রথম ছয় কিলোমিটার অংশে সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়, তবে অধিক ক্ষতিগ্রস্থ অংশে কোনো সংস্কার কাজ করা হয়নি বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সড়কটির এমন বেহাল দশায় দেখেও না দেখার ভান করছেন। সড়কের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। ফলে এই সড়কে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। দেখলে মনে হয়, সড়কটি যেন মাছ চাষের উপযোগী। এ সড়কটির বেহাল দশার ফলে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন শিক্ষার্থী ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাতায়াতকারী রোগীরা।
সওজ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালের মে মাসে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কটির ‘বর্ধিতকরণ ও সংস্কার কাজ’ শেষে উদ্বোধন করা হয়। তবে উদ্বোধনের ১০-১৫ দিন পর থেকেই সড়কের বিভিন্ন অংশে গর্ত ও ভাঙন সৃষ্টি হয় বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সড়কের দুই পাশে আটটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দু’টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, একটি কলেজ, দু’টি মাদরাসা, অসংখ্য মসজিদ, মৎস্য ও কৃষি খামার রয়েছে। উপজেলার চারটি ইউনিয়নের পাশাপাশি ছাতকসহ সুনামগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলার মানুষও ওই সড়কে যাতায়াত করেন। ছাতকস্থ দু’টি বৃহত্তম সিমেন্ট কোম্পানীর ভারী যানবাহনও চলাচল করে ওই সড়ক দিয়ে। তারপরও জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটি সংস্কার হচ্ছে না। শিগগিরই সড়কগুলোর সংস্কার কাজ করে জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘব করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ এবং বর্তমান সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
অটোরিকশা চালক (সিএনজি) আমির আলী বলেন, পেটের কারণে ঝুঁকি নিয়ে আমাদেরকে ওই সড়কে যাতায়াত করতে হচ্ছে। এতে আমরা (চালক) আর্থিক, মানসিক ও শারীরিক ক্ষতির শিকার হচ্ছি।
রামাপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট মোহাম্মদ আলমগীর বলেন, সড়কটির বেহালদশার কারণে এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। দ্রæত সড়কটির সংস্কার কাজ সম্পন্ন না হলে জনদুর্ভোগ আরোও বাড়বে।

Share





Related News

Comments are Closed