Main Menu

“কাবিখা নয় টিআরের চাল বরাদ্দ দিয়েছি”

মিলাদুর রহমান, তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: “কাবিখার টাকায় দলীয় কার্যালয় নির্মাণ করছেন এমপি” শিরোনামে শনিবার দৈনিক যুগান্তর ও বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম সহ বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টালে সংবাদ প্রকাশের পর সুনামগঞ্জে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
প্রকাশিত সংবাদের সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করে নিজের প্রতিক্রিয়া জানান সুনামগঞ্জ-১ আসনের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতন এমপি। তিনি শনিবার দুপুরে জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন নিউজ পোর্টালের প্রতিনিধির মুঠোফোনে দু’দফায় ফোন করে বলেন, ‘জামালগঞ্জের মান্নানঘাটে দলীয় কার্যালয় নয়, বঙ্গবন্ধু পরিষদের কার্যালয় নির্মাণ করা হচ্ছে। আর এতে মাটি ভরাট, সোলার প্যানেল স্থাপনে “কাবিখা নয়, টিআরের ২০ টন চাল বরাদ্দ দিয়েছি। এমপি হিসাবে আমি তা দিতেই পারি। তিনি আরো বলেন, বিভিন্ন এলাকার লোকজন ট্রলারে করে মান্নানঘাট বাজারের ওই কার্যালয়ে ভোরবেলা বিশ্রাম নেন। এ প্রকল্পের বরাদ্দ এখনও ছাড় হয়নি’।
অন্যদিকে জামায়াত নেতার বাড়ির সড়কে বরাদ্দ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ওই সড়কে জনস্বার্থে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। পানি এসে যাওয়ায় বরাদ্দের টাকা উক্তোলন করে ইউএনও’র অ্যাকাউন্টে জমা রাখা হয়েছে। জামায়াত নেতার বাড়ির সামনে দিয়ে সড়কটি গেছে এতে দোষের কী? উপজেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি মুকিত চৌধুরীকে প্রকল্প কমিটিতে রাখা হয়েছে, তার কথায় বরাদ্দ দিয়েছি।’
এমপি রতনের এমন বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার ইউএনও টিটন খিসা বলেন, প্রশ্নই আসে না, মান্নানঘাটে কাবিখার বরাদ্দ তিনি নিজে দিয়েছেন। অর্থবছরের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় বরাদ্দও ছাড় করে নেয়া হয়েছে। আর জামায়াত নেতা মাওলানা নুর উদ্দীনের বাড়ির সড়কে কোনো কাজই হয়নি, প্রকল্প কমিটির সভাপতি বরাদ্দ উক্তোলন করে নিয়ে গেছেন। তিনি পাল্টা প্রশ্ন করেন- যেখানে অর্থবছর শেষ হয়ে গেছে, সেখানে ইউএনর অ্যাকাউন্টে কেন টাকা জমা রাখা হবে? এটা এমপি মহোদয় মিথ্যাচার করেছেন। ওই প্রকল্পের কাজ না হওয়ায় আমরা তদন্ত করছি।’
pic-jamlaganj-mukit-chowউপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি মুকিত চৌধুরীকে প্রকল্প কমিটিতে রাখা হয়েছে’- এমপির এমন বক্তব্যে জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করীম শামীম বলেন, মুকিত চৌধুরী জামালগঞ্জের বহুল আলোচিত ৭১’এর পিস কমিটির সদস্য ও চিহ্নিত রাজাকার আবদুল বারী চৌধুরীর ছেলে, তার আরেক ভাই উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী ফখরুল আলম চৌধুরী। রাজাকার পুত্র মুকিত চৌধুরীকে এমপি রতনই মনগড়াভাবে উপজেলা আওয়ামীলীগের কমিটিতে সহ সভাপতির পদ পাইয়ে দিয়েছেন।’
এ ব্যাপারে মুকিত চৌধুরী তার বাবা ‘৭১ এ পিস কমিটির সদস্য কিংবা রাজাকার ছিলেন না বলে দাবি করেন। তবে তিনি বলেন, আমি কামলাবাজারের কোন প্রকল্প কমিটিতে নেই।’
সূত্র: দৈনিক যুগান্তর।

Share





Related News

Comments are Closed