Main Menu

খাদিজাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরন

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: এমসি কলেজ ক্যাম্পাসে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের নির্মমতার শিকার সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রী খাদিজা আক্তার নার্গিসকে (২৩) উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়া হয়েছে। সোমবার রাত ১২টা ১০ মিনিটে ওয়েসিস হাসপাতালের একটি অ্যাম্বুলেন্সযোগে তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি জেদান আল মুসা চিকিৎসকের বরাত জানান, ‘সিটি স্ক্যান রিপোর্টে তার সিভায়ার মেসিভ ডেমেজ ধরা পড়েছে।’ হামলায় খাদিজার মাথা অনেকটা থেতলে গেছে বলে জানা গেছে।

সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রী খাদিজা আক্তার নার্গিস
সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রী খাদিজা আক্তার নার্গিস

সোমবার সন্ধ্যায় ঐ ছাত্রী এমসি কলেজ থেকে পরীক্ষা দিয়ে বের হওয়ার সময় শাবি ছাত্র বদরুল তাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে।
ঘটনার পর পরই হামলাকারী শাবি ছাত্র বদরুলকে আটক করে গণ ধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। ওসমানী হাসপাতালে পুলিশী প্রহরায় তাকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
পুলিশসহ সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ছুরিকাঘাতে আহত খাদিজা সিলেট সদর উপজেলার এসএমপির জালালাবাদ থানার হাউসা গ্রামের মাসুক মিয়ার কন্যা।

হামলাকারী শাবি ছাত্র ও ছাত্রলীগ নেতা বদরুল আলম
হামলাকারী শাবি ছাত্র ও ছাত্রলীগ নেতা বদরুল আলম

হামলাকারী বদরুল আলম (৩০) শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি চতুর্থ বর্ষ দ্বিতীয় সেমিস্টারের ছাত্র। তার গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার মনিরগাতি গ্রামে। তার বাবার নাম সাইদুর রহমান। সে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক ও শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহপরান (রহঃ) হলের আবাসিক ছাত্র।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সিলেট সদর উপজেলার মোগলগাঁও ইউনিয়নের হাউসা গ্রামের মাসুক মিয়ার মেয়ে খাদিজা আক্তার নার্গিসের বাড়িতে লজিং থাকত শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) অর্থনীতি বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র ও শাবি ছাত্রলীগের সহসম্পাদক বদরুল আলম। সেখানে থাকাকালে মেয়েটির কাছে প্রেম নিবেদন করে সে। নার্গিস বারবার প্রত্যাখ্যান করে। সোমবার বিকেলে পরীক্ষা দিয়ে বের হওয়ার পর এমসি কলেজ মসজিদের পেছনে মানুষের সামনে দা দিয়ে কোপাতে থাকে বদরুল। প্রত্যক্ষদর্শী লোকজন নার্গিসের চিৎকার শুনে এগিয়ে যায়। তারা নার্গিসকে সংকটাপন্ন অবস্থায় উদ্ধার করে এবং বদরুলকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে দেয়।

এদিকে, হামলার ঘটনায় মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত থানায় মামলা হয়নি। শাহপরাণ থানার ওসি শাহজালাল মুন্সী জানিয়েছেন- চিকিৎসার জন্য খাদিজার পরিবার ব্যস্ত থাকায় এখনো মামলা হয়নি। তবে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

Share





Related News

Comments are Closed