Main Menu

বিশ্বনাথে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট

মোঃ আবুল কাশেম, বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি: প্রবাসী অধ্যুষিত বিশ্বনাথে জমে উঠেছে কোরবানীর পশুর হাট। হাটে কোরবানীর পশু কিনতে ক্রেতারা শুরু করেছেন দৌড়ঝাঁপ। বাজারে পশু ক্রয়-বিক্রয়ের পাশাপাশি ইন্টারনেট ফেইসবুক ও ওয়াটর্সআপে চলছে কেনা বেচা।
বিশ্বনাথ উপজেলায় ৩টি স্থায়ীসহ ১৫টি কোরবানীর পশুর হাট বসেছে। পশু কেনা বেচায় সরব হয়ে উঠছেন ক্রেতা বিক্রেতারা। গত ৯ সেপ্টেম্বর উপজেলা প্রাঙ্গনে ১২টি অস্থায়ী পশুর হাট দর-পত্রের মাধ্যমে ইজারা দেয়া হয়েছে। বাজারে আসা অনেক ক্রেতা জানিয়েছেন গত বছরের চেয়ে এবছর গরুর দাম অনেক বেশি।
জানা গেছে, উপজেলায় প্রতিটি কোরবারনীর হাটে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ট্রাক যোগে গরু আসছে। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বাজারগুলোতে কোরবানীর পশুতে হাটের আনাচে কানাচে পূর্ণ হয়ে যায়। ছোট বড় মাঝারি সব ধরনের গবাদি পশু এসব বাজারে পাওয়া যায়। এর মধ্যে মাঝারি ও ছোট গরুর চাহিদাই বেশি দেখা গেছে। তাই এমন আকারের গরুর দামও তুলনামূলক বেশি। গত এক সপ্তাহে উপজেলার গরুর বাজারে ৩৫ হাজার থেকে শুরু করে দুই লাখ টাকা মূল্যের গরু দেখা গেছে।
অন্যদিকে, বাজারে ৮ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা মূল্যের দেশী ছাগল উঠেছে। উপজেলার মধ্যে বিশ্বনাথ পুরানবাজার, বৈরাগীবাজার ও পীরেরবাজারে স্থায়ী পশুর হাট রয়েছে। এ হাট ছাড়াও উপজেলার ১২টি পয়েন্টে অস্থায়ী পশুর হাট বসেছে। অস্থায়ী কোরবানীর পশুর হাট গুলো হচ্ছে, লামাকাজ বাজার, রাজাগঞ্জবাজার, মুফতিরবাজার, পনাউল্লাবাজার, রামপাশাবাজার, আশুগঞ্জবাজার, পুরান হাবড়াবাজার, সিংগেরকাছবাজার, কাইয়া-কাইড়বাজার, বাগিছাবাজার, কাহিরঘাটবাজার, মিয়ারবাজার।
এদিকে, পরিবারের সদস্যদের সাথে ঈদ করতে দেশে এসেছেন অনেক প্রবাসী।
রোববার উপজেলা সদরের পুরানবাজার গরুর হাটে দেখা গেছে ক্রেতা-বিক্রেতার দৌড়ঝাপ। বাজারের ইজারাদার ক্রেতাদের সুবিধার্থে ইতিমধ্যে সব প্রস্তুতি আগেই সম্পন্ন করে রেখেছেন। বাঁশ দিয়ে সারিবদ্ধভাবে লাইন করা হয়েছে। মানুষ চলাচলের জন্য উভয় সারির মধ্যখানে বেশ জায়গা রাখা হয়েছে। তারপরও গাদাগাদি করে চলাচল করছেন গরু কিনতে আসা ক্রেতারা।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এবার দেশী গরুর দাম গত বারের চেয়ে কিছু বেশী দামে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া খাঁশি, বেড়ার দাম গত বছরের চেয়ে এবছর বেশী।
আসন্ন ঈদুল আযহা কে সামনে রেখে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে দেশে এসেছেন অনেক প্রবাসী। স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করতে দেশে এসেছেন বলে জানান যুক্তরাজ্য প্রবাসী ফরহাদ আহমদ। তিনি বলেন, স্বজনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে দেশে এসেছেন।
ব্যবসায়ী রহিম আলী, খালিক মিয়া ও জিলু মিয়া বলেন, এ বছর গরুর দাম বেশী। গো-খাদ্যের দাম বেশী হওয়ায় গত বছরের চেয়ে এ বছর গরুগুলো বেশী দামে বিক্রি হচ্ছে।

Share





Related News

Comments are Closed