Main Menu

উচ্ছেদ হচ্ছে তারাপুর দখল হচ্ছে লাক্কাতুরা চা-বাগান

বিশেষ প্রতিনিধি: সিলেট শহরতলীর তারাপুর চা-বাগান দখলমুক্ত করতে যখন সরকার মরিয়া হয়ে উঠেছে, ঠিক তখনই অপদখলে চলে যাচ্ছে পার্শ্ববর্তী সরকারী লাক্কাতুরা চা-বাগান। একটি প্রভাবশালী মহল তাদের লোকদের দিয়ে বাগানটি ক্রমশঃ দখল করে নিচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, চা-বাগানের কর্মচারী বা মালী নয় এমন প্রায় ২৫টি পরিবার ইতোমধ্যে বাগানে অবৈধদখলে চলে গেছে। তারা ঘর বানিয়ে সেখানে দেদারছে বসবাস করছে এবং বাগানের গাছপালা উপড়ে ফেলে পরিবেশ ধ্বংসে মেতে উঠেছে।
খোজ নিয়ে জানা যায়, একটি মহল ২০ থেকে ৪০ হ্জাার টাকা গ্রহণ করে লাক্কাতুরা চা-বাগানের প্লট বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দিচ্ছে। গরীব ও অসহায় লোকজন তাদের সহায় সম্পদ বিক্রি করে এমনকি বিভিন্ন এনজিও সংস্থা থেকে চড়াসুদে ঋণ নিয়ে বাগানের প্লট খরিদ করছে। এ পর্যন্ত যে ২৫টি পরিবার বাগানে অবৈধ দখলে গেছে তাদের কয়েকজনের নাম পাওয়া গেছে, তারা হচ্ছে জাহাঙ্গীর, জসিম, খলিল, বশির, বাচ্চু এবং জাহাঙ্গীর মিস্ত্রি। অন্যদের নাম ঠিকানা জানা যায়নি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, একজন জনপ্রতিনিধির সেল্টারে এসব পরিবার নির্দ্বিধায় লাক্কাতুরা চা-বাগানে গিয়ে বসবাস শুরু করেছে এবং বে-আইনী ও চোরাই বিদুৎ ব্যবহার করছে। পাশপাশি নানা অসামাজিক ও অপরাধমূলক কর্মকান্ডে লিপ্ত রয়েছে। প্রাথমিকভাবে তারা কাচা টিনের ঘর তৈরী করে বসবাস শুরু করলেও এদের অনেকে ইতোমধ্যে পাকা স্থাপনা তৈরীর কাজ শুরু করে দিয়েছে।
লাক্কাতুরা চা-বাগানে সদ্য বসতি স্থাপনকারী কয়েকজনের কাছ থেকে জানা গেছে, বাগান এলাকার নূরুল, জিন্নাহ ও বুলবুলের মাধ্যমে তাদের কাছ থেকে ২০ থেকে ৪০ হাজার টাকা করে গ্রহণ করে স্থায়ীভাবে তাদের কাছে প্লট বিক্রি করা হয়েছে। এছাড়াও পার্শ্ববর্তী চান্দুশাহ মাজার এলাকা ও কুমেলা বস্তী থেকে তাদেরকে বিদুৎ সুবিধাও দেয়া হয়েছে।

Share





Related News

Comments are Closed