Main Menu

কোম্পানীগঞ্জে বাবা-মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেফতার ৪

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম : জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় বাবা-মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা করে লাশ গুম করার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। পরে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে সোমবার বিকেলে পুলিশ চারজনকে গ্রেফতার করে।
রোববার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ইছাকলস ইউনিয়নের পুটামারা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, আব্দুস সালাম (৫০) ও তার মেয়ে রোজি বেগম (১৮)। এ ঘটনায় সোমবার বিকেলে পুলিশ আব্দুর রব, মেহেরুন নাহার, সালমা বেগম ও ফাহিমাকে গ্রেফতার করে। তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী সোমবার সন্ধ্যায় রোজি বেগমের লাশ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, গত ১৩ আগস্ট উপজেলার পুটামারা গ্রাম থেকে কোম্পানীগঞ্জ গ্রামে বেড়াতে আসে আব্দুস সালাম তার স্ত্রীসহ এক মেয়ে। সেখান থেকে রোববার বিকেলে বাড়িতে ফেরার পথে মুখোশ পরা একদল দুর্বৃত্ত তাদের উপর হামলা চালায়। এসময় দুর্বৃত্তদের লাঠির আঘাতে ঘটনাস্থলে মা রোশনা (৪৩) বেগম লুটিয়ে পড়েন। এরপর আব্দুস সালাম এবং তার মেয়ে রোজী বেগমকে অপহরণ করে নিয়ে যায় মুখোশধারীরা। ঘন্টা দুয়েক পর জ্ঞান ফিরলে স্বামী ও মেয়ের খোঁজ করেন রোশনা বেগম। কিন্তু অনেক খোজাখুজি করেও তাদের সন্ধান পাননি। পরে তাকে আহত অবস্থায় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন স্থানীয়রা।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, পুটামারা গ্রামের আব্দুস সালামের সঙ্গে তার চাচাতো ভাই আব্দুর রবের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ছিল। এর জের ধরে রোববার বিকালে আব্দুস সালামের সঙ্গে তাদের ঝগড়া হয়। একপযার্য়ে আব্দুস সালাম ও রোজি বেগমকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরে লাশ দুটি গুম করা হয়। রোববার রাতে আব্দুস সালামের লাশ উদ্ধার করা গেলেও রোজি বেগমের লাশ পাওয়া যায়নি।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি বায়েছ আলম বলেন, ‘পারিবারিক কারণে তাদের খুন করে লাশ গুম করা হয়েছিল বলে গ্রেফতারকৃতরা প্রাথমিকভাবে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।’ এ হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে ১০জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

Share





Related News

Comments are Closed