Main Menu

গোলাপগঞ্জে চির নিদ্রায় শায়িত হলেন ড. ছদরুদ্দিন আহমদ চৌধুরী

জাহিদ উদ্দিন, গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি: চির নিদ্রায় শায়িত হলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ব বিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য ভাষাসৈনিক, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক প্রফেসর ড. ছদরুদ্দিন আহমদ চৌধুরী।
রবিবার প্রথমে সকাল ১০টায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে, ১১টায় হযরত শাহজালাল (রহঃ) দরগাহ মসজিদে, বেলা সাড়ে ১১টায় ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এবং বাদ যোহর গোলাপগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ী বড় মোকাম জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে গোলাপগঞ্জের ফুলবাড়ীতে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়।
এদিকে গোলাপগঞ্জ ফুলবাড়িতে সর্বশেষ জানাজায় অংশ নেন শাবিপ্রবির উপাচার্য আমিনুল ইসলাম ভুঁইয়া, গোলাপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট ইকবাল আহমদ চৌধুরী, গোলাপগঞ্জ পৌর মেয়র সিরাজুল জব্বার চৌধুরী, গোলাপগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান হাফিজ নজমুল ইসলাম, প্রফেসর ওয়াজির আহমদ চৌধুরী, শাবিপ্রবি রেজিস্টার বদরুল ইসলাম সুয়েব, গোলাপগঞ্জ এমসি একাডেমী স্কুল এন্ড কলেজের প্রিন্সিপাল মনসুর আহমদ চৌধুরী,সাবেক ঢাকাদক্ষিণ ইউপি চেয়ারম্যান আবুল বশর ছদর উল্লাহ চৌধুরী, আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আব্দুল মুকিত, গোলাপগঞ্জ বিএনপির সাবেক আহবায়ক মুহিউস সুন্নাহ চৌধুরী নার্জিস, আমাদের প্রতিদিনের সম্পাদক প্রবাসী সাংবাদিক আনোয়ার শাহ জাহান, গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি শহিদুর রহমান সুহেদ, গোলাপগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি এম আব্দুল জলিল, সাধারণ সম্পাদক জাহিদ উদ্দিন, গোলাপগঞ্জ সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি মাহবুবুর রহমান চৌধুরী, বিএনপি নেতা হাসান মাহমুদ বাবু,যুবলীগ নেতা রুহেল আহমদ,মিজানুর রহমান রিংকু,সাংবাদিক কে এম আব্দুল্লাহ প্রমুখ। জানাজার নামাজে ইমামতি করেন ড. আব্দুর রহিম চৌধুরী।
প্রফেসর ড. ছদরুদ্দীন আহমদ চৌধুরী ১৯৩১ সালের ১ জানুয়ারি সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ফুলবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম সাদউদ্দিন আহমদ চৌধুরী। প্রফেসর ড. ছদরুদ্দিন আহমদ চৌধুরী ১৯৫৬ সালে রাজশাহী কলেজে শিক্ষকতা জীবন শুরু করেন। তিনি ১৯৮৯ থেকে ১৯৯৩ পর্যন্ত শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৫ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ডিন অব স্টাডিজ (একাডেমিক ভাইস চ্যান্সেলর) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সাল থেকে সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে ২০১০ সালে তিনি স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করেন। ‘হিউম্যান ইনসুলিন’ তাঁর একটি মৌলিক আবিষ্কার। তিনি বাংলাদেশ ফিজিক্যাল সোসাইটির ফেলো ও ১৯৯৪-৯৬ সাল পর্যন্ত সংগঠনটির সভাপতি এবং ওয়ার্ল্ড ইউনিয়ন অব ক্রিস্টালোগ্রাফরি সদস্য ছিলেন। বিজ্ঞান বিষয়ে তার অনেকগুলো গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। তিনি পরিবেশ আন্দোলনের একজন সংগঠক সহ কর্মজীবনে অনেকগুলো গুরুদায়িত্ব পালন করেন। ব্যক্তি জীবনে তিনি তিন কন্যা সন্তানের জনক।
উল্লেখ, গত শনিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় ঢাকার ল্যাব এইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরন করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।

Share





Related News

Comments are Closed