Main Menu

তাহিরপুরে লম্পট শশুরের কান্ড

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: ছেলে ঢাকায় গার্মেন্টসে চাকুরি করে, আর এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে গ্রামের বাড়িতে থাকা পুত্রবধুকে জোরপুর্বক ধর্ষণ করে নিজের লালসা চরিতার্থ করে তৃপ্ত হলেন পিতৃসম শশুর নামের এক নরপশু।
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বড়দল উত্তর ইউনিয়নের সীমান্বর্তী রজনী লাইন গ্রামের মৃত আবদুল কুদ্দুছের ছেলে ৩ সন্তানের জনক কালা মিয়া (৫৫)’র বিরুদ্ধে তারই বড় ছেলের বউ এ ধর্ষণের অভিযোগ আনলেন। এ ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি জানাজানি হলে গোটা উপজেলা জুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে।
ভিকটিম ও স্থানীয় এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, উপজেলার রজনীলাইন গ্রামের শশুর নামক নরপশু কালামিয়া তার বড়ছেলে ঢাকায় গার্মেন্টেসে চাকুরি করার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে গত কয়েক মাস ধরেই পুত্রবধুকে নানা ভাবে যৌন হয়রানী করে আসছিলো। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৯ জুলাই মঙ্গলবার মধ্যরাতে লম্পট শশুড় কালা মিয়া পুত্রবধুর শোয়ার ঘরে ডুকে দু’দফা ধর্ষণের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে ভোররাতে ফের শোয়ার ঘরে ডুকে জোরপুর্বক পুত্রবধুকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের বিষয়টি তার স্বামী বা অন্য কাউকে না জানানোর জন্য বাড়ি ছাড়া এমনকি প্রাণ নাশের হুমকিও প্রদান করা হয়। পরদিন বুধবার ধর্ষিতা গৃহবধু তার স্বামীকে মুঠোফোনে বিষয়টি জানালে ছেলে বাড়ি আসার খবর পেয়ে নরপশু কালা মিয়া ঐ দিনই বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ধর্ষিতা তার স্বামী বাড়ি আসলে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও গ্রামবাসীকে ডেকে নিয়ে শুক্রবার বিকেলে শশুড়ের এ অপকর্মের বিষয়ে মুখ খুলে তার বিচার দাবি করে।
উপজেলার বড়দল উওর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ছিদ্দিক মিয়া, গ্রামের মুরুব্বী সোনাহর আলী, স্থানীয় যুবক জামাল মিয়া জানান, গ্রামের ৩০ থেকে ৩৫ জন লোক ঘটনা জানতে শুক্রবার বিকেলে কালা মিয়ার বাড়িতে গেলে তার ছেলের বউ গ্রামবাসীর নিকট অভিযোগ করেন যে কালা মিয়া গত মঙ্গলবার মধ্যরাতে দু’দফা ধর্ষণের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে বুধবার ভোর রাতে পুন:রায় শোয়ার ঘরে ডুকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে জোর পুর্বক তাকে ধর্ষণ করে।
উল্ল্যেখ যে, পুত্রবধু ধর্ষণকারী কালা মিয়া ২০০০ সালে রজনী লাইন গ্রামের মৃত আবদুর রশীদের ছেলে সাইদুর রহমান হত্যাকান্ডে জেলা জজ আদালতে বিচারধীন হত্যা মামলার আসামী।

Share





Related News

Comments are Closed