Main Menu

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে জৈন্তাপুরে র‌্যালী, আলোচনা সভা

মো. রেজোয়ান করিম শাব্বির,জৈন্তাপুর প্রতিনিধি: কিশোরির জন্য বিনিয়োগ, আগামী প্রজন্ম সুরক্ষা, স্লোগানে সিলেটের জৈন্তাপুরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০১৬ উপলক্ষ্যে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২১ জুলাই বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হতে একটি র‌্যালী “কিশোরির জন্য বিনিয়োগ, আগামী প্রজন্ম সুরক্ষা” স্লোগানে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়কে প্রদক্ষিণ করে পুনরায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে শেষ হয়।
বেলা ১২টায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের মিলনায়তনে পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সাবিহা কবিরের সভাপতিত্বে প্রধান অথিতি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা আলা উদ্দিন আহমদ। বিশেষ অথিতি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তা হাওলাদার আজিজুল ইসলাম, মমতা প্রকল্পের কো অডিনেটর রিক্তা দাস, সীমান্তিকের ব্যবস্থাপক পলাশ বনিক, দৈনিক সবুজ সিলেট পত্রিকার জৈন্তাপুর প্রতিনিধি মোঃ রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর প্রেসক্লাবের অর্থ সম্পাদক গোলাম সারওয়ার বেলাল, সদস্য শাহজাহান কবির খাঁন এছাড়া উপস্থিত ছিলেন- অনুক খাসিয়া, শহিদুল ইসলাম মোল­া, রওশনারা বেগম, নিকলাস নাইয়াং, জসিম উদ্দিন প্রমুখ।
স্বাগত বক্তব্যে পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সাবিহা কবির বলেন- বর্তমানে ১০ হতে ১৯ বছর বয়সী কিশোরীদের মোট জনসাংখ্যার ১.৩৭% মধ্যে ৬৬% কিশোরী বয়সে পারিবারিক অস্বচ্ছলতার দরুন বিয়ে হচ্ছে। ফলে প্রতি ৩জনের ১জন গর্ভবর্তী বা প্রথম মা হচ্ছেন। এই অনুপাতে মোট কিশোরীদের ১১৮ জন গর্ভধারন করে। অল্প বয়সে অপরিপক্ষ ভাবে সন্তান ধারন করলে মাতৃ মৃত্যুর ঝুকির হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাধ্যমিক পর্যায় অতিক্রমের পর যদি বিয়ে হয় তাহলে সন্দুর ও গাঠন মূলক পরিবার গঠিত হবে। এছাড়া স্বাস্থ্য ও জনসচেতনার বিষয়ে উপজেলা পর্যায় এবং জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন সাফলতার চিত্র তুলে ধরেন। তিনি আরও বলেন- এবৎসর আপনাদের উপজেলা জেলা ও বিভাগ পর্যায়ে ৩টি পুরস্কার পেয়েছে। তার মধ্যে শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন হিসাবে ২নং জৈন্তাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন, বিভাগ পর্যায়ে উপজেলার ফতেপুর এফ.ডাব্লিউ,সি এবং বাউরভাগ এফ.ডাব্লিউ.এ ছালেহা পারভীন নির্বাচিত হয়েছেন। উপজেলা পর্যায়ে ভিজিটর হিসেবে শ্রেষ্ট হয়েছেন চারিকাটা এফ.ডাব্লিউ.সি রওশনারা আক্তার। উপজেলার মধ্যে শ্রেষ্ট এনজিও হিসাবে মমতা প্রকল্পের রিক্তা দাস।
প্রধান অথিতি হিসাবে ডা. আলা উদ্দিন আহমদ বলেন- কিশোরির জন্য বিনিয়োগ, আগামী প্রজন্ম সুরক্ষা, সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও গণসচেতনা তৈরীর লক্ষ্যে আমরা মাঠ পর্যায়ে কাজ অব্যাহৃত রেখেছি। আমরা স্কুল পর্যায়ে কিশোরীদের সুরক্ষার নিমিত্তে¡ গনসচেতনাতা সৃষ্টির লক্ষ্যে আমরা আলোচনা সভার কর্মসূচী পৌছে দেওয়ার উদ্দ্যেগ গ্রহন করেছি। যাতে করে ১০ হতে ১৯ এর মধ্যে এই কিশোরীদের সুরক্ষা করা যায়। তিনি সভায় আগত বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিদের কাছে এই বার্তাটি সর্বত্র পৌছে দেওয়ার আহবান জানান।

Share





Related News

Comments are Closed