নিখোঁজ ২৬২ জনের তালিকা প্রকাশ করেছে র্যাব
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সারা দেশে ২৬২ জন নিখোঁজের একটি চাঞ্চল্যকর তালিকা প্রকাশ করেছে র্যাব। এই তালিকায় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের ১২ জন শিক্ষার্থীর নাম-ঠিকানা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে যাদের ছবি প্রচার করা হচ্ছে, এমন ১০ জনের নামও এতে অন্তর্ভুক্ত আছে। র্যাব মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) রাতে এই তালিকা প্রকাশ করে।

তালিকার ব্যাপারে জানতে চাইলে র্যাবের গণমাধ্যম ও আইন শাখার পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান বলেন, থানা-পুলিশ ও গোয়েন্দাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তালিকাটি তৈরি করা হয়েছে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের ব্যাপারে খোঁজখবর করা হচ্ছে।
নিখোঁজ ব্যক্তিদের এই তালিকায় আছেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএর ছাত্র তৌহিদ রউফ ও একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শেহজাদ রউফ; মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তাওসিফ হোসেন; নারায়ণগঞ্জের তোলারাম সরকারি কলেজের ইয়াসিন হোসেন (চঞ্চল); ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির রাহাত বিন আবদুল্লাহ; উত্তরার ইয়ারলি ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ছাত্র রোমিও; মানারাত কলেজের বিবিএর ছাত্র মো. সাব্বির হোসেন ওরফে শুভ; স্টেট কলেজের ছাত্র মো. ফিরোজ মিয়া; দারুল এহসান কওমি মাদ্রাসার ছাত্র মো. ইমরান; বগুড়ার শাহ সুলতান কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র এ কে এম সিয়াম এবং ঢাকার একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র আহমেদ আজওয়াজ ইমতিয়াজ তালুকদার। আরও আছেন সিভিল এভিয়েশনে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পাইলট মো. মাহমুদুল হাসান রাতুল। এ ছাড়া আছেন জুন্নুন শিকদার, আকরাম হোসেন ওরফে হাসিব ওরফে আবদুল্লাহ, তামিম আহমেদ চৌধুরী মো. সাইফুল্লাহ ওজাকি, মো. মহিবুর রহমান, তাহমিদ রহমান, তাউসিফ হোসেন, আরাফাত হোসেন তুষার, মো. নিয়াজ মোর্শেদ রাজা, নজিবুল্লাহ আনসারী, জুনায়েদ খান, জুবায়েদুর রহিম, এ টি এম তাজউদ্দিন ও আশরাফ মো. ইসলাম।
এই তালিকায় নিখোঁজ অবস্থা থেকে ফিরে আসা দুই তরুণের নাম আছে। তাদের একজন আফিফ মানসিফ চৌধুরী। তিনি ১ মার্চ নিখোঁজ হন এবং ফিরে আসেন ২২ মে। এ ছাড়া আছেন শামীম রেদওয়ান। ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনি নিখোঁজ হন। ফিরে আসেন মে মাসের শেষ সপ্তাহে। দুজনেই ঢাকা সেনানিবাসের বাসিন্দা।
চার সন্দেহভাজনের ভিডিও প্রকাশ: গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে এক নারীসহ চারজনের ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছে র্যাব। তাদের ধরিয়ে দিতে অনুরোধ করা হয়েছে।
ভিডিও ফুটেজে এই চারজনকে ১ জুলাই রাতে গুলশান হামলার সময় রেস্তোরাঁর পাশের ৭৯ সামনের সড়ক থেকে জব্দ করা ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গিয়েছিল বলে র্যাবের কর্মকর্তারা জানান।
মঙ্গলবার র্যাব এই চারজনের ভিডিও ফুটেজ তাদের ফেসবুক পেজে প্রকাশ করেছে। ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করে র্যাব জানায়, রেস্তোরাঁয় হামলার আগে তাঁদের একজন সাদা রঙের একটি প্রাইভেট কার থেকে নেমেছিলেন।
র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান বলেন, ভিডিও ফুটেজ দেখে এই চারজনকে সন্দেহ করা হচ্ছে। তারা জঙ্গি হামলার ঘটনায় জড়িত থাকতে পারেন। ভিডিও দেখে কেউ তাদের শনাক্ত করতে পারলে তাদের ধরিয়ে দিতে তিনি অনুরোধ করেন। ভিডিও ফুটেজে এই চারজনকে ৭৯ নম্বর সড়কে কয়েকবার হাঁটাহাঁটি করতে দেখা গেছে। একে অন্যের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলতে দেখা গেছে। এক নারীকে সন্দেহভাজনদের একজনের সঙ্গে কথা বলতেও দেখা যায়।
মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের একই ধরনের ভিডিও ফুটেজ দেখানো হয়। মামলার তদন্ত তদারক কর্মকর্তা ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম ও ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম বিভাগের (সিটি) ভারপ্রাপ্ত উপকমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ১ জুলাই রাতে সন্দেহভাজন তিন যুবক ৮টা ৪২ মিনিটে গুলশান ২-এর ৭৯ নম্বর সড়কে হাঁটাহাঁটি করছিলেন।
এর আগে তাদের একজন সাদা রঙের একটি প্রাইভেট কার থেকে নেমে পড়েন। সন্দেহভাজন নারীকে গাড়ি থেকে নামা যুবকটির সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়। তিনি বলেন, ১ জুলাই রাত ৮টা ৪৭ মিনিটে হলি আর্টিজান থেকে প্রথম গ্রেনেড ছোড়ার সময় সন্দেহভাজন তিন যুবক ৭৯ নম্বর সড়কেই ছিলেন।
এরপর তারা চলে গেলেও সন্দেহভাজন নারী প্রায় সেখানে আধঘণ্টা অবস্থান করেন। তিনি বলেন, ধারণা করা হচ্ছে তাঁরা হামলাকারীদের সহযোগী। তাদের ও সাদা গাড়িটির মালিককে পাওয়া গেলে মামলা-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে।
১ জুলাই রাতে হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় হামলা চালায় জঙ্গিরা। ওই রাতে অভিযান চালাতে গিয়ে নিহত হন পুলিশের দুই কর্মকর্তাসহ ২২ জন নিহত হন।
রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ: হলি আর্টিজানে হামলায় জড়িত জঙ্গিদের বাসা ভাড়া দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এস এম গিয়াস উদ্দিন আহসান তার ফ্ল্যাটের তত্ত্বাবধায়ক মাহবুবুর রহমান ও ভাগনে আলম চৌধুরী এবং শেওড়াপাড়া থেকে গ্রেপ্তার সাবেক শিক্ষক নুরুল ইসলামের রিমান্ডের মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিন অতিবাহিত হয়েছে। গত শনিবার তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিকে হলি আর্টিজানে হামলায় নিহত শফিকুল ইসলাম ওরফে উজ্জ্বলকে সহযোগিতার অভিযোগে মিলন হোসাইনকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করছে ঢাকা জেলার পুলিশ। মামলার তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রিমান্ডে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক গিয়াসসহ পাঁচজন হামলাকারীকে সহায়তা করার কথা অস্বীকার করছেন। জিজ্ঞাসাবাদে গিয়াসউদ্দিন বলেন, ফ্ল্যাট ভাড়া দেওয়া থেকে শুরু করে সব দেখাশোনা করছিলেন তার ভাগনে ও ফ্ল্যাটের তত্ত্বাবধায়ক। এ ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না।
তদন্ত-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, মিরপুরের আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম অন্য ভাড়াটেদের তথ্য সংগ্রহ করলেও চার জঙ্গির কোনো তথ্য নেই তার কাছে।
পুলিশ লাশ হস্তান্তর করতে চায়: হলি আর্টিজান বেকারিতে জিম্মি ঘটনায় নিহত পাঁচ জঙ্গিসহ ছয়জনের লাশ ১৯ দিনেও তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। মঙ্গলবার পর্যন্ত লাশগুলো সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) মর্গে ছিল।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন- মীর সামেহ মোবাশ্বের, রোহান ইবনে ইমতিয়াজ, নিবরাস ইসলাম, খায়রুল ইসলাম পায়েল, শফিকুল ইসলাম ওরফে উজ্জ্বল ও হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁর বাবুর্চি সন্দেহভাজন সাইফুল ইসলাম চৌকিদার। নিহত ব্যক্তিদের স্বজনেরা বলে আসছেন, তারা লাশ নিতে এর আগে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। কিন্তু পুলিশ তাদের কিছুই বলছে না।
অবশ্য মামলার তদন্ত তদারক কর্মকর্তা কাউন্টার টেররিজম বিভাগের ভারপ্রাপ্ত উপকমিশনার সাইফুল ইসলাম বলেন, জঙ্গিসহ নিহত ছয়জনের পরিবারের কেউ লাশ নিতে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। তারা লাশ নিতে চাইলে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে লাশ হস্তান্তর করা হবে। তিনি বলেন, নিহত ছয়জনের লাশ আরও কিছুদিন মর্গে রাখা হবে। এ সময়ের মধ্যে স্বজনেরা লাশ না নিলে দাফনের জন্য আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
নিখোঁজরা হলেন- মো. সাইদুল ইসলাম (৩৫), তার গ্রামের বাড়ি বগুড়ার ধুনটের মাধবডাঙা, থাকতেন ঢাকার বনানীতে; ফারহান হোসেন, ঢাকার রূপনগরের বাসিন্দা; ওমর ফারুক (২৪), তার গ্রামের বাড়ি নাটোরের মগড়াইগ্রাম থানার জোয়ারবাজার, দৈনিক দেশবার্তায় নিরাপত্তা কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করতেন; ঢাকা সেনানিবাসের মেজর কবির আহমেদ তালুকদারের ছেলে আহমেদ আজওয়াদ ইমতিয়াজ তালুকদার (অমি), কুচক্ষেতের বাসিন্দা সেনা কর্মকর্তা কর্নেল মশিউরের ছেলে জিলানি ওরফে আবু জিদাল, মিরপুরের ডিওএইচএসের মো. আশেকুর রহমান, তৌফিক হোসেন খান, আশরাফ মো. ইসলাম, গুলশানের শেহজাদ রউফ ওরফে অর্ক, সেগুনবাগিচার ওয়াকি চৌধুরী, জিগাতলার তাওসিফ হোসেন, তেহজীব করিম ঢাকার শেরেবাংলা নগরের বাসিন্দা, মো. সাব্বির হোসেন শুভ (২২) বাড্ডার হাজীপাড়ার বাসিন্দা, গুলশানের মানারাত কলেজের বিবিএর ছাত্র; মো. সাজাদ রউফ বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় বাসা, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব রয়েছে; ঢাকার তেজগাঁওয়ের মো. মঈনউদ্দীন (২০), মো. জুবায়ের হোসেন ফারুক (২৫), মো. জুয়েল (২৫), সিরাজুল ইসলাম (৩০), মোক্তার আহমেদ ওরফে মাকসুদুর রহমান (৩০), মো. রাকিবুল ইসলাম (২৩), মো. মঞ্জুর (৩০), মো. মোস্তাফিজুর রহমান (২৪), কাজী মো. মঈনউদ্দীন শরীফ, বাবুল জমাদার (৩০) ঢাকার শ্যামপুরের বাসিন্দা, চকবাজারের শামসুল আলম (৩৫), কমরউদ্দিন (৩০) উত্তর বাড্ডার বাসিন্দা, বাড্ডার জুনায়েদ খান, ধানমণ্ডির জুবায়েদুর রহিম, ওয়ারির মো. জুলহাস শেখ, যাত্রাবাড়ীর আবু মুসা, রমনার মো. মোস্তাহার (১৮), শনিরআখড়ার মো. হাবিবউল্লাহ (২৬), শান্তিনগরের ইব্রাহিম হাসান খান, তেজগাঁওয়ের ইন্দিরা রোডের মো. আব্দুল হান্নান, মো. বাশারুজ্জামান, খিঁলক্ষেতের তাহমিদ রহমান সাফি, বনানীর তাওসিফ হোসেন, গুলশানের নিকেতনের আরাফাত হোসেন তুষার, ধানমন্ডির জিগাতলার বাসিন্দা জুনুন শিকদার, রেজত রানা ফারুক সজল (২২)।
দিনাজপুরের পার্বতীপুরের পাওয়ার কলোনির সানোয়ার হোসেনের ছেলে, থাকতেন ঢাকার বনানীতে; মো. মামুন হোসেন রায়হান, ঝালকাঠির নলসিটির খাজারিয়ার মো. শাহজালাল হাওলাদারের ছেলে, থাকতেন ঢাকার মহাখালীর জিয়াউর রহমান মোড়ের একটি বাসায়; বাদল পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের শ্রীনগরের বাসিন্দা, থাকতেন উত্তরার প্রেম বাগান মোড় এলাকায়, মো, মুসা গাজী (৩০), পটুয়াখালীর ইটবাড়িয়া মোহন মিয়ার ছেলে, থাকতেন আশুলিয়ার জিরানিবাজারে; মো. আজাদ হোসেন (২৮), গ্রামের বাড়ি পঞ্চগড়ের ভোদায়, থাকতেন আশুলিয়ার জামগড় এলাকায়; মো. সোহেল রানা (২৩), গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধার পলাশবাড়ী, থাকতেন আশুলিয়ার গৌরিপুর এলাকায়; সুজন বগুড়ার গাবতলীর বাসিন্দা; রওশন আলী কাজী সাতক্ষীরার দেবহাটার বাসিন্দা, মো. ফিরোজ মিয়া ব্যাপারি (২৬) নোয়াখালীর তিলতলার বাসিন্দা, মো. জাহাঙ্গীর আলম (২৬), তার গ্রামের বাড়ি ঝালকাঠি সদরে, থাকতেন আশুলিয়ার বুড়িরবাজার এলাকায়; আমান উল্লাহ আশিক (২০) আশুলিয়ার ঘোষবাগ এলাকার বাসিন্দা, মো. ইউসুফ আলী মানিকগঞ্জের বরপাড়ার বাসিন্দা, থাকতেন আশুলিয়ার ডেন্ডাবর; মো. আসাদুজ্জামানের গ্রামের বাড়ি কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী, থাকতেন আশুলিয়ার কাঠগড়ায়; মো. মেহেদি হাসানের (১৮) গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার হোমনা, উত্তরার রাজউক কলেজের ছাত্র তিনি; মো. শামীম রেজা উত্তরার বাসিন্দা, মো. রিহাব ঢাকার বাসিন্দা, মো. রিয়াদ ঢাকার বাসিন্দা, রোমিও (১৬), গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুরের নড়িয়ায়, ঢাকার ইয়ারলি ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ছাত্র তিনি; সাগর ঢাকার বাসিন্দা, মো. ইয়াছিন হোসেন চঞ্চল (২৪) নারায়গঞ্জের ফতুল্লার বাসিন্দা, থাকতেন টঙ্গীর চরাগআলী মার্কেটে, মো. সেলিম (২৫) গাজীপুরের কাপাসিয়ার বাসিন্দা।
মো. মাহমুদুল আহসান রাতুল (২৩) ঢাকার আদাবরের বাসিন্দা, রাহাত বিন আব্দুল্লাহ (২৬) যশোর কোতোয়ালির বাসিন্দা, মো. ফিরোজ মিয়া (২৩) ঢাকার মোহাম্মদপুরে থাকতেন, মতিঝিলের তময় (২০), যাত্রাবাড়ীর মো. জাকির হোসেন (২৮), আকরাম হোসেন ওরফে হাসিব ওরফে আব্দুল্লাহ, লালবাগের সাদমান হোসেন পাপন (২৪), কেরাণীগঞ্জের মো. মোতালেব হোসেন, কিশোরগঞ্জের ভৈরবের বাসিন্দা সোহাগ মিয়া (২৮), সাব্বির (২২) ঢাকার মোহাম্মদপুরে থাকতেন, মাহমুদুল রহমান কাজল (২৫) ঢাকার কলাবাগানের বাসিন্দা, আদনান (১৯) কক্সবাজার সদরের বাসিন্দা, থাকতেন কলাবাগানে; মো. হাবিবুর রহমান (২৫) আশুলিয়ায় বাসা, হাফেজ মো. আতিকুর রহমান (২৪) ঢাকার বনানীতে বাসা, সাইফুল ইসলাম শাকিল (৩০) ঢাকার উত্তর শাহজাহানপুরে বাসা, বেলাল মোল্লা (২২), গ্রামের বাড়ি নড়াইলের নলদী, থাকতেন ঢাকার মুগদায়; ওমর হাসান বাবু ওরফে শাহজালাল খিঁলগাঁওয়ের তিলপাপাড়ায় বাসা, মো. আনিস হাওলাদার (২৮) ঢাকার বনশ্রীর বাসিন্দা, মো. রাসেল (২২) খিঁলগাঁওয়ের ভূঁইয়াপাড়ার বাসিন্দা, ছানাউল্লাহ (২৪) রমনার বাসিন্দা, এসএম তাহসান (৩২) কাকরাইলে বাসা, মো. সিদ্দিক আলী (২০) রমনার আমবাগানে বাসা, মো. জাহাঙ্গীর আলম মগবাজারে বাসা, মো. ইমরান (২২) ঢাকার পল্লবীতে বাসা, মিরপুরের মনোয়ার হোসেন সবুজ (৩০)।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের বাসিন্দা মো. বাদশা আলী (২৫), মো. সুমন (২৮), মো. মোস্তফা (২৬), চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের মো. শামসুল হক (২৮), দামুড়হুদার মো. ফরহাদ হোসেন (২৮), ঝিনাইদহের খন্দকার পাড়ার মো. সোহেল (৩০), কলেজপাড়ার মো. মামুন রায়হান (২৫), বড়কামারকুণ্ডের মো. সোহেল রানা (২৭), তেঁতুলবাড়িয়ার মো. দুরন্ত (২৬), হলিধানীর মো. রাশেদুজ্জামান (২৮), নিজপুটিয়ার মো. সজল খান (২০), চরখাজুরার মো. দেলোয়ার হোসেন দুলাল (৩০) ও মো. গোলাম আযম ওরফে পলাশ (৩২), মান্দারবাড়িয়ার মো. সোহান হোসেন (২৫), গোয়ালপাড়ার মো. শামীম আলী (২৬), কালুহাটির মো. আশিকুর রহমান ওরফে রিপন (২৪) ও মো. আক্তারুজ্জামান, কাশিমপুরের মো. মোজাম্মেল মোল্লা (২৮), কালীগঞ্জের মাজেদুল হক (৩৫), মো. আবু সাঈদ, মো. হাসান আলী (৩০), মহেশপুরের মো. আব্দুর সালাম (৩০), কাচারিতেলার মো. আতিয়ার রহমান (৩০), শৈলকূপার মো. মাসুম আলী (২৪), মো. মজিবর খাঁ (২৮), মো. উজ্জ্বল হোসেন (২৫), মো. নাঈম হোসেন (২৫), মো. ওয়াসিম আকরাম (২৫), মো. রবিউল ইসলাম (২৫), মো. রফিকুল ইসলাম (২২), মো. তোতা (২৫), হরিণাকুণ্ডুর মো. শফিকুল ইসলাম (২৭), সাতক্ষীরার তালার মো. রাশেদ গাজী (২৩)।
চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর আজিউর রহমান (২২), চকবাজারের সানাউল্লাহ ইমতিয়াজ (২২), আব্দুর রহিম (২৮), পাঁচলাইশের মো. শাহজালাল শামীম (৩১), মো. মামুন (২৮), আবু তাহের ওরফে পলাশ (২২), পতেঙ্গার জানে আলম (৩৩), ডবলমুরিংয়ের আজিজুর রহমান (১৮), ফরিদুল হক (১৯), রাশেদুল ইসলাম (৩৩), মোজাফ্ফর হোসেন ওরফে বাবু (২০), সুজন (২১), জসীমউদ্দীন (৩৫), শাহজাহান, ফয়সাল, আকবর শাহ থানার হাসান কাউসার (২৫), মিলাদ (৩২), ডা. ইমরান হোসেন (২৭), আসিফ ইকবাল (৩৪), সদরঘাট থানার মানিক হোসেন (২৬), মো. সবুজ (২৫), মো. জুয়েল (২১), চান্দগাঁওয়ের জাবেদ (৩২), পাহাড়তলীর মো. আবু সালেহ রাসেন (২৮), মো. রাজু (২০), ওমর ফারুক (১৯), এনামুল হক সোহেল (২৮), মো. রিয়াজ (২১), শামীম আহমদ (২৫), মো. তাজুল ইসলাম রুমেল (৩৮), হাটহাজীরর মো. নিয়াজ মোরশেদ রাজা, মীরসরাইয়ের নুরুল হুদা (৩১), জরুল ইসলাম, গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের মো. মিন্টু মিয়া (৩৫), ফেনী সদরের মো. সাখাওয়াত হোসেন (১৮), কাজী মহিবুল ইসলাম (৩৪), ওমর ফারুক (২৫), মো. ইসরাফিল, আশিক, রাশেদ (২৫), তাইফুল ইসলাম, রেজাউর রহমান রাজু, দাগনভূঁইয়ার মো. রেদোয়ানুল আজাদ রানা, পরশুরামের মো. ফোরকান চৌধুরী, ছাগলনাইয়ার সাজ্জাদ হোসেন পারভেজ (৩৫)।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের আমির হোসেন (২৮), চন্দনাইশের আসিফ আদনান, চাঁটখিলের মো. হাবিবুর রহমান ওরফে ইয়াসিন, মো. মারজুক হায়দার জাহিন (১৬), মো. মিন্টু শেখ ওরফে বৈরাগী মিন্টু ওরফে মিন্টু খাঁ (২৭), কুমিল্লা সদরের আব্দুল্লাহ ইবনে সিরাজ (২০), মো. মামুন (২৫), মাহবুব (৩০), আব্দুল সালাম (২৪), সাদ্দাম হোসেন (২২), এহসানুল হক কাউসার (২৬), রাজন (২২), ডা. কাজী মো. জহির (৩০), মাসুদ পারভেজ ওরফে মাদুদ (২৩), বড়ুরার মেহেদি (২৭), মো. জহির ইসলাম চৌধুরী, রাউজানের আসিফউদ্দৌলা আসিফ (২৭), চান্দিনার আলী হোসেন তানভীর (২৯), নাঙ্গলকোটের সাইফুল ইসলাম (২৫), কুষ্টিয়ার মিরপুরের মো. মাহিদুল ইসলাম (১৭), পাবনার আমিনপুরের মো. রফিক মোল্লা (২৫), টাঙ্গাইলের গোপালপুরের মো. আব্দুল্লাহ, বগুড়ার শাহজাহানপুরের একেএম সিয়াম (১৮), রংপুর কোতোয়ালির মো. শামীম মিয়া (২৪), শায়েস্তা খাঁন (২০), সাব্বির আহমেদ আনন্দ (২৮), মো. রেজাউল করিম (২৮), মো. ইকবাল হোসেন (২০), মো. সাদ্দাম ইকবাল (২১), মো. নজরুল ইসলাম (২২), সরকার রোডের রেজোয়ানুর রহমান (২০), সেনানিবাসের মো. সাঈদ হোসেন (২০), হবিগঞ্জের মাধবপুরের মো. নাহিদুল ইসলাম ঈমন, কিশোরগঞ্জের কটিয়াদির মো. রিপন মিয়া (১২), ভৈরবের মো. রহমাতুল্লাহ (১৯), মো. আজিজুল হক (২২), শাহজুদ্দিন (১৯), মো. নাহিদ ওরফে নিপু (২০), মো. মান্নান (১৫), মামুন মিয়া (২৪), মো. কাউসার আহমেদ সৌরভ (১৫), আল ইসলাম (১৫), মো. ছোবহান মিয়া (১৯), রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের মো. শফিউল ইসলাম ওরফে প্রিন্স ওরফে কম্পিউটার নাইম, পাংশার রামকোলের আরিফুল ইসলাম, সিলেট বিয়ানিবাজারের তামিম আহমেদ চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের মো. সাইফুল্লাহ ওজাকি, গাজীপুরের মো. মুহিবুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের নাজিবুল আনসারী, লক্ষ্মীপুরের আটিয়াতলীর এটিএম তাজউদ্দিন, বরগুনার বেল্লাল হোসেন, ঝিনাইদহের মহেশপুরের বাপ্পি।
নীলফামারির কিশোরগঞ্জের মো. রহমাতুল্লাহ (রাবি শিক্ষার্থী), সৈয়দপুরের আব্দুল্লাহ, চাঁদপুরের কচুয়ার সোহানুর রহমান, ফরিদগঞ্জের মোয়াজ্জেম হোসেন, নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার একেএম মেহেদি হাসান, কুষ্টিয়ার কুমারখালীর বাদল, কুড়িগ্রাম সদরের মফিজুর রহমান, সুনামগঞ্জ সদরের মোসাজাদ হোসেন (৪৫), কক্সবাজার সদরের খায়রুল আমিন ওরফে পুতিক্যা, রামুর মো. ইমরুল, সিলেট জকিগঞ্জের মো. ছাদিকুর রহমান জুবের (২৬), বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জের বাদুড়তলার মো. খোরশেদ আলম (৪৫), সুনামগঞ্জের সৈয়দপুরের সৈয়দ জাহাঙ্গীর মিয়া, মো. আবির হোসেন, টাঙ্গাইলের গোপালপুরের মো. হৃদয়, মোস্তফাপুরের শাহীন, লালমনিরহাটের পাটগ্রামের হাফিজ মাহমুদ মিলন, ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার মো. রবিউল, নগরকান্দার মো. আল আমিন (১৭), চাঁদপুর সদরের মো. ইয়াসিন খাঁন, মতলবের সাইফুল ইসলাম নোমান, ঝিনাইদহের মহেশপুরের ওয়াফিল, টেকনাফের মো. ইউসুফ, যশোর মনিরামপুরের আমানুল্লাহ ও কামরুল জামান, কামাল হোসেন, সারাত আলী, হাসানুর রহমান, ইকবাল হোসেন, তৌহিদুল ইসলাম, পীরবক্স, তপন, শাহ আলম, হাসান আলী, ফারুক হোসেন, সুমন হোসেন, মাসুদুর রহমান, ঠাকুরগাঁওয়ের সদর উপজেলার মো. নুরুজ্জামান আরিফ (২৩), মো. কামরুজ্জামান টুটুল (২৩)।
এছাড়া ঢাকা সেনানিবাসের কানিশালি এলাকার বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত মেজর আব্দুল মান্নান চৌধুরীর ছেলে আফিফ মানসিফ চৌধুরী, কাফরুলের বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত মেজর ডা. কবিরের ছেলে শামীম রেদোয়ান এবং কচুক্ষেতের রাধিন ফেরত এসেছেন বলে র্যাব জানিয়েছে।
র্যাবের অনলাইন মিডিয়া সেলের ফেইসবুক পাতায় মঙ্গলবার রাত সোয়া ১১টার দিকে নিখোঁজ ২৬২ জনের তালিকা প্রকাশ করা হয়।
এদের বিষয়ে কোনো তথ্য পেলে র্যাবের নিকটতম ক্যাম্পে জানাতে অনুরোধ করা হয়েছে। অথবা ০১৭৭৭৭২০০৫০ মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
এছাড়া ফেইসবুকে www.facebook.com/rabonlinemediacell/ এবং cybercrime@rab.gov.bd অ্যাড্রেসে মেইল করে তথ্য জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।
Related News
সাবেক স্পিকার হুমায়ূন রশীদ চৌধুরীর পরিবারের ৫ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: কানাডায় পাঠানোর নামে প্রতারণা, ভুয়া ভিসা-পাসপোর্ট তৈরি, অর্থ আত্মসাৎ ও বিদেশে মানবপাচারেরRead More
জাতীয় জনতা পার্টির জাতীয় কার্যকরী কমিটি গঠিত
বিশেষ সংবাদদাতা: মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক, বঙ্গবীর জেনারেল মহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানীর প্রতিষ্ঠিত জাতীয় জনতা পার্টিরRead More



Comments are Closed