Main Menu

ঈদে বিশেষ নিরাপত্তায় ডিসি-এসপিদের চিঠি

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক : রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারি রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলার পর নিরাপত্তার ব্যাপারে নড়েচড়ে বসেছে সরকার। এ ধরনের ঘটনা আবারো ঘটতে পারে সে আশঙ্কা রয়েছে সরকারে। এসব দিক বিবেচনায় পবিত্র ঈদুল ফিতরে দেশব্যাপী কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলতে চায় প্রশাসন। সেজন্য প্রত্যেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপারকে (এসপি) বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থার জন্য চিঠি পাঠিয়েছে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ।

চিঠি দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (জেলা ও মাঠ প্রশাসন অনুবিভাগ) মো. মাকছুদুর রহমান পাটওয়ারী সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সব জেলার প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে চিঠি পাঠিয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’

অতিরিক্ত সচিব বলেন, ‘এ ছাড়া প্রতিটি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ইউনিয়ন চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তাদেরকে জঙ্গিবিরোধী সচেতনতা সৃষ্টি করতে প্রতিটি পাড়া ও মহল্লায় সন্ত্রাসবিরোধী কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে।’

ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে প্রতি বছরের মতো এবারো কয়েক স্তরে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন মার্কেট, বিপনিবিতান, কাঁচাবাজার, আড়ৎতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ঈদের ছুটিতে ব্যাংকগুলো ফাঁকা থাকবে এজন্য ব্যাংকের নিরাপত্তা জোরদারে বিশেষ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এছাড়া অপরাধ রোধ করে ঈদকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থান, সড়ক, স্থাপনা, মার্কেট, বাসস্ট্যান্ড, রেল স্টেশন, লঞ্চ টার্মিনাল এসব স্থানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি র‌্যাবও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় তিন ধাপে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালায় থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটে। গুলশান ২ নম্বরের হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা চালায় একদল অস্ত্রধারী জঙ্গি। প্রায় ১২ ঘণ্টা পর কমান্ডো অভিযান চালিয়ে ওই রেস্তোরাঁর নিয়ন্ত্রণ নেয় সশস্ত্রবাহিনী। ১৩ জন জিম্মিকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও ২০ জনের লাশ পাওয়া যায় গলাকাটা অবস্থায়। নিহতদের মধ্যে ৯ জন ইতালির, সাতজন জাপানি ও একজন ভারতের নাগরিক। বাকি তিনজন বাংলাদেশি, যাদের মধ্যে একজনের যুক্তরাষ্ট্রেরও নাগরিকত্ব ছিল। এ ঘটনার পর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে সরকারকে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে।

Share





Related News

Comments are Closed