Main Menu

সিলেটে বিআরটিএ-র টাকা জমা দিতে চরম ভোগান্তি

বিশেষ প্রতিনিধি: সিলেটে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথোরিটি বিআরটিএ-র টাকা জমা দিতে চরম ভোগান্তি ও হয়রানীর শিকার হচ্ছেন পরিবহন মালিক শ্রমিকরা। ফলে অনেকে সময়মত গাড়ীর কাগজাত নবায়ন করতে না পারায় পড়তে হচ্ছে নানা বিড়ম্বনায় । সরকারও বঞ্চিত হচ্ছে লাখ লাখ টাকার রাজস্ব আয় প্রাপ্তি থেকে ।
জানা গেছে, সিলেটে বিআরটিএ’র টাকা (ফি) গ্রহনের জন্য তফসিলি ব্যাংকের ৯টি শাখা নির্ধারিত। এগুলো
হচ্ছে ট্রাস্ট ব্যংক সিলেট কর্পোরেট শাখা, মধুমতি ব্যংক আম্বরখানা, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক দরগাহ গেইট, ইষ্টার্ন ব্যাংক চৌহাট্টা, ট্রাস্ট ব্যাংক শাহজালাল উপশহর, ব্র্যাক ব্যংক সুবিদবাজার, ইষ্টার্ন ব্যাংক গ্যাসভবন, এনআরবিসি ব্যাংক চৌহাট্টা ও ব্র্যাক ব্যাংক শাহজালাল উপশহর শাখা। বর্তমানে এগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র এনআরবিসি ব্যাংক চৌহাট্ট শাখা ছাড়া আর কোন শাখা ব্যাংকই বিআরটিএ-র টাকা বা ফি গ্রহণ করছে না। এসব টাকা গ্রহনে ব্যাংকের কোন লাভ নেই বলে সংশ্লিষ্টরা তা গ্রহণ করেন না।
অভিযোগ পাওয়া গেছে, ব্যাংকে বিআরটিএ-র টাকা জমা দিতে গেলেই বলা হয় মেশিন নষ্ট, নেট নেই, স্লীপ নেই। সকাল সাড়ে ৯টায় গেলেও বলা হয় সিরিয়্যাল শেষ, আজ পারবেন না। যারা স্লীপ গ্রহণ করতে পারেন তাদেরকেও ব্যাংকের বাইরে রাখা হয় এবং অনেক দেরীতে একজন একজন করে ডেকে নিয়ে টাকা জমা নেয়া হয়। বিআরটিএর ফি গ্রহনের ব্যাংকগুলোর অবজ্ঞা-অনীহার কারনে পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের নানাভাবে আইনী হয়রানীর শিকার হতে হয়। খপ্পরে পড়তে হয় দালাল ও জালিয়াত চক্রের।
পরিবহন মালিকদের হয়রানী লাঘবে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সিলেট জেলা পরিবহন মালিক সমিতি গত বছরের ৩১ আগস্ট বিআরটিএ ঢাকা অফিসে লিখিত আবেদন করেন। কিন্তু দীর্ঘ ১০ মাসেও এর কোন প্রতিকার পাননি পরিবহন মালিকরা।
সিলেট জেলা পরিবহন মালিক সমিতি নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে বিআরটিএ-র টাকা গহন সহজ করনে সংশ্লিস্ট কর্র্তপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Share





Related News

Comments are Closed