Main Menu

সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে তিনজন নিহত

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জে পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় বৃহস্পতিবার তিনজন নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন- খালিক মিয়া (৬৫), ফখরুল ইসলাম (১৩) ও খায়রুন নেছা (১৪)।
নিহত ফখরুল ইসলাম সদর উপজেলার কাঠইর ইউনিয়নের শাখাইতি গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে ও স্থানীয় অষ্টগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র। খায়রুন নেছা একই উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের উদেমশ্রী গ্রামের আবিদ আলীর মেয়ে। বজ্রপাতে আবিদ আলীও আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। খালিক মিয়া দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার জয়কলস ইউনিয়নের আসামপুর গ্রামের মৃত বদাই মিয়ার ছেলে। এসময় নিহত খালিক মিয়ার ছেলে লায়েক মিয়াও (১৮) আহত হয়েছে।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় গ্রামের অন্য শিশুদের সাথে শাখাইতি গ্রামের পার্শ্ববর্তী হাওরে মাছ ধরতে যায় ফখরুল। এসময় বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই ফখরুলের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে তার স্বজনরা লাশ উদ্ধার করেন। পরে গ্রামের কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়েছে।
উমেদশ্রী গ্রামের শিক্ষক মনজুর মোর্শেদ জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ছয়টার দিকে ঘরের বারান্দায় বসা ছিল খায়রুন নেছা। এ সময় আকস্মিক বজ্রপাতে সে লুটিয়ে পড়ে এবং তার পরনের পোশাকে আগুন ধরে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। ঘর থেকে বের হয়ে আগুন নিভানোর চেষ্টা করলে আবিদ আলীও আহত হন। তিনি প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। উমেদশ্রী গ্রামের পার্শ্ববর্তী বেরাজালি গ্রামের বাসিন্দা শাহনুর আলম জানান, বেলা দুইটায় জানাযা শেষে খায়রুন নেছার দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার দক্ষিণ সুনামগঞ্জের আসামপুর গ্রামে দুপুরে খালিক মিয়া ও তার ছেলে লায়েক মিয়া ছোট নৌকায় দেখার হাওরে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে খালিক মিয়া ও তার ছেলে গুরুতর আহত হন। গুরুতর আহত খালিক মিয়া পানিতে পড়ে যান। এ সময় আশপাশের লোকজন খালিক মিয়া ও তার ছেলেকে উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল ৩টায় খালিক মিয়া মারা যান। বজ্রপাতে খালিক মিয়া নিহতের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানার ওসি আল আমিন।
সদর থানার ওসি হারুনুর রশিদ চৌধুরী বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সকালে পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় শাখাইতি ও উমেদশ্রী গ্রামে দুই শিশু নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে।’

Share





Related News

Comments are Closed