Main Menu

সৌদি আরবের ২ বিমানবন্দর ও ৪ সেনাঘাঁটিতে হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সৌদি আরবের ২টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং একটি সেনাঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করার দাবি করেছেন ইরানের মদতপুষ্ট ইয়েমেনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথি বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারী।

বুধবার (৭ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় এ দাবি জানিয়েছেন তিনি। এক্সপোস্টে ইয়াহিয়া সারী বলেছেন, বুধবার ভোরের দিকে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে বেশ কয়েকটি ড্রোন নিক্ষেপ করেছে হুথি যোদ্ধারা। হুথি মুখপাত্র আরও বলেন, কিং খালিদ বিমানবন্দরের হামলা সুনির্দিষ্ট ও গোছানো ছিল এবং হুথি হামলার কারণে বিমানবন্দরের ফ্লাইট অপারেশনে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটেছে।

কাছাকাছি সময়ে, অর্থাৎ বুধবার ভোরের দিকে সৌদি আরবের আবহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং খামিস মুশাইতের সেনাঘাঁটি, জাজান প্রদেশের রাজধানী জিজানের দাঘারির এবং আল-মাউসিম সেনাঘাঁটি এবং আসির প্রদেশের আনকিফাহ সেনাঘাঁটিতেও বেশ কয়েকটি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হুথি যোদ্ধারা নিক্ষেপ করেছে বলে এক্সপোস্টে জানিয়েছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সারী।

এক্সপোস্টে তিনি আরও বলেছেন, হুথি বাহিনীর নিক্ষিপ্ত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রে কিং খালিদের মতো আবহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ফ্লাইট অপারেশেন বিশৃঙ্খল হয়ে পড়েছে এবং সেনা ঘাঁটিগুলোরও উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

এদিকে হুথি মুখপাত্রের দাবি নিয়ে কোনো মন্তব্য না করলেও পৃথক এক বিবৃতিতে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন সৌদি-ইয়েমেন জোট আজ বুধবার জানিয়েছে যে, তারা রিয়াদ অভিমুখে হুথিদের ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মাঝপথে আটকে দিয়ে ধ্বংস করেছে।

জোটের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি এক্সে পোস্ট করা সেই বিবৃতিতে বলেছেন, ‘সন্ত্রাসী হুথি মিলিশিয়ার ছোড়া ওই ক্ষেপণাস্ত্রটি রিয়াদের উত্তরে আটকে দেওয়া হয়।”

আল-মালিকি আরও জানান, জোটের গোয়েন্দা ব্যবস্থা ব্যবহার করে ইয়েমেনের রাজধানী সানার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছোড়ার স্থান বা উৎক্ষেপণ কেন্দ্রটি শনাক্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, “আমরা জোটের গোয়েন্দাদের মাধ্যমে সানারর উৎক্ষেপণ কেন্দ্রটির ওপর নজর রাখছি এবং এটি আমরা ধ্বংস করব।”

Share





Related News

Comments are Closed