Main Menu

তাহিরপুরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, ৩২ জনের নামে মামলা

Manual8 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে রামদা দিয়ে কুপিয়ে ও ইট দিয়ে মাথা-শরীরের বিভিন্ন অংশ থেঁতলে আল আমিন (৩৫) নামে এক যুবককে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ৩২ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) নিহতের স্ত্রী ঝর্ণা বেগম বাদী হয়ে তাহিরপুর থানায় মামলাটি করেন।

Manual6 Ad Code

আল আমিন উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের বালিয়াঘাট গ্রামের প্রয়াত জালাল উদ্দিনের ছেলে।

মামলায় বালিয়াঘাট গ্রামের সমেজ মিয়ার ছেলে আব্দুর নুর, তার সহোদর আব্দুল লতিফসহ ২২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৮ থেকে ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

সোমবার বিকালে মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। গ্রেফতাররা হলেন- বালিয়াঘাট গ্রামের আব্দুল কুদ্দুছের ছেলে মহিবুর ও ওয়াহেদ আলীর ছেলে আজিজুল।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার বালিয়াঘাট গ্রামের স্থানীয় মাঠে ফুটবল খেলার সময় আল আমিনের ভাগ্নের পায়ে গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে কৌশলে ফুটবল দিয়ে আঘাত করে। এ নিয়ে দুই কিশোরের মধ্যে হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কি হয়। বিষয়টি জানতে পেরে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই রাতেই সমেজ মিয়ার ছেলে লতিফ দলবল নিয়ে আল আমিনের বাড়িতে গিয়ে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন।

ঘটনাটি সালিশের মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাতে বালিয়াঘাট বাজারে গেলে আল আমিনের ছোট ভাই জুয়েলকে লতিফের লোকজন মারধর করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

পর দিন শনিবার দুপুরের দিকে গ্রামের সিদ্দিক আলীর ছেলে তোফাজ্জলের নেতৃত্বে লতিফের পরিবারের সদস্য ও গোষ্ঠীভুক্ত ৩০ থেকে ৩২ জনের একটি দল আল আমিনের বাড়িতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় তারা দেশিয় অস্ত্রে সজ্জিত ছিল।

অভিযোগ অনুযায়ী, আল আমিন বসতঘর থেকে বের হলে হামলাকারীরা প্রথমে তাকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে ইট দিয়ে তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন অংশ থেঁতলে দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি গুরুতর আহত হন।

আল আমিনের স্ত্রী ঝর্ণা বেগম বলেন, গ্রামের সমেজ মিয়ার ছেলে আব্দুর নুর, তার সহোদর আব্দুল লতিফের নেতৃত্বে তাদের পরিবার ও গোষ্ঠীভুক্ত স্বজনরা পরিকল্পিতভাবে আমার স্বামীকে হত্যা করেছে।

Manual7 Ad Code

তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নওশাদ আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসার আগেই আল আমিন মারা যান। হামলায় আহত আরও তিনজনকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এ তথ্য নিশ্চিত করে তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমেদ বলেন, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের পর গ্রেফতার দুই আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

Manual8 Ad Code

 

Manual3 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code