Main Menu

লন্ডনে সমুদ্র সৈকতে ডুবে প্রবাসী মা-মেয়েসহ ৩ জনের মৃত্যু

Manual8 Ad Code

প্রবাস ডেস্ক: যুক্তরাজ্যের এসেক্স অঞ্চলের সমুদ্র সৈকতে পানিতে ডুবে মা-মেয়েসহ সিলেটি একই পরিবারের দুইজনসহ তিনজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।সাগরের উত্তাল ঢেউয়ে ভেসে যাওয়া একটি শিশুকে বাঁচাতে গিয়ে একই পরিবারের মা ও মেয়েসহ তিনজনের মৃত্যু হয়। এই হৃদয়বিদারক ঘটনায় যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাংলাদেশি সম্প্রদায় ও সিলেটে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

Manual3 Ad Code

​নিহতরা হলেন- যুক্তরাজ্য যুবদলের সহ-সভাপতি ডা. শেখ মনসুর রহমানের সহধর্মিনী সেলিনা রহমান (৪২), তাঁদের কন্যা সামিয়া রহমান (১৫) এবং মনসুরের শ‍্যালিকার ছেলে মুসা আহমেদ (৯)।

Manual4 Ad Code

শেখ মনসুর রহমান সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মোল্লারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম শেখ মকন মিয়ার ছেলে।

Manual2 Ad Code

প্রত্যক্ষদর্শী ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (২২ জুলাই) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটের দিকে লন্ডনের কাছাকাছি এসেক্সের ওয়েস্ট মার্সি সমুদ্রসৈকতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। গ্রীষ্মকালীন ছুটি উপলক্ষে সপরিবারে সেখানে ঘুরতে গিয়েছিলেন তাঁরা। আনন্দঘন মুহূর্ত পালনের সময় হঠাৎ সাগরে তীব্র জোয়ারের স্রোত আসে। স্রোতের টানে ছোট শিশু মূসা আহমেদ সাগরের গভীরে তলিয়ে যেতে থাকলে তাঁকে বাঁচাতে মা সেলিনা রহমান ও কিশোরী কন্যা সামিয়া রহমান পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। কিন্তু জোয়ারের শক্তিশালী টানে তিনজনই সাগরের অতল জলে হারিয়ে যান।

ঘটনার পরপরই এসেক্স পুলিশ, রয়্যাল ন্যাশনাল লাইফবোট ইনস্টিটিউট এবং কোস্টগার্ডের সদস্যরা দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। তিনটি এয়ার-অ্যাম্বুলেন্স এবং স্পিডবোটের সাহায্যে দীর্ঘ চেষ্টার পর তাঁদের অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে সিপিআর (কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন)  প্রদান করে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন। তাদের মধ্যে সেলিনা রহমান ও তার কন্যা সামিয়া রহমান ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান এবং শিশু মূসা আহমেদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থান মারা যান। তাছাড়া দুর্ঘটনায় পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্য আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মৃত্যুর বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন শেখ মকন মিয়ার ছেলে শেখ মাহফুজুর রহমান মুন্না।

তিনি জানান, লন্ডনের কলচেস্টার সিটির নিকটবর্তী ওয়েস্ট মার্সি (West Mersea) সমুদ্র সৈকতে বাংলাদেশ সময় বুধবার (২২ জুলাই) মধ্যরাতে ঘুরতে গিয়ে তারা দুর্ঘটনার কবলে পড়েন। পানিতে তলিয়ে যাওয়ার পর উদ্ধারকারী দল স্থানীয় পুলিশ, লাইফবোট, কোস্টগার্ড হেলিকপ্টার এবং এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের সহায়তায় দ্রুত উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। উদ্ধারকাজে সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হলেও শেষ পর্যন্ত তিন জনকেই বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

তিনি জানান- মরদেহগুলো দেশে নিয়ে আসার বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

Manual8 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code